বড় জা’র ছুরিকাঘাতে ছোট জা রক্তাক্ত

চুলার ধোঁয়া নিয়ে বিরোধ

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি | সোমবার , ১১ মে, ২০২৬ at ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ

ফটিকছড়িতে রান্নার চুলার ধোঁয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় জা’র ছুরিকাঘাতে ছোট জা রক্তাক্ত হয়েছেন। গতকাল ১০মে বিকালে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের হাইদচকিয়া চৌধুরী বাড়িতে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বড় জা রেশমী চৌধুরীর ঘর থেকে দীর্ঘদিন ধরে রান্নার চুলার ধোঁয়া ছোট জা ইসরাত ফারহানা দিপ্তীর ঘরে প্রবেশ করছিল। এই সমস্যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরেই বিবাদ চলছিল। ঘটনার দিন বিকালে একই বিষয় নিয়ে পুনরায় কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় রেশমী চৌধুরী ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি দিয়ে দিপ্তীকে লক্ষ্য করে কোপ দেন। আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে দিপ্তীর দুই হাত ধারালো ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত হয়।

হাতাহাতির মধ্যে রেশমীও কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হন। ‘মাকে কেন শাসন করে না’ এ কথা বলে রেশমীর ছেলে দিপ্তীর ছেলেকেও মাথায় আঘাত করে বলে জানা যায়।

আহত দিপ্তীকে উদ্ধার করে প্রথমে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আহত দিপ্তীর ভাই আরফাজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার বোনকে তারা কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে। আঘাত গুরুতর হওয়ায় নাজিরহাট মেডিকেলে তাকে রাখা সম্ভব হয়নি, এখন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা আপাতত বিষয়টি ৯৯৯এ ফোন দিয়ে পুলিশকে জানিয়েছি। এখন বোনকে বাঁচানোই আমাদের প্রথম লক্ষ্য, এরপর আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’

অভিযুক্ত রেশমীর তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরে তার স্বামী আব্দুর রহমান বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের বউ ঝগড়া শুরু করে, একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। একই ঘটনায় আমার স্ত্রীও আহত হয়েছেন। এদিকে, ঘটনার ব্যাপারে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল আলম খান।

পূর্ববর্তী নিবন্ধনির্বাচিতদের আগের কার্যকলাপ যাচাইয়ে হচ্ছে পুলিশি তদন্ত
পরবর্তী নিবন্ধবাসা থেকে স্কুল শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার