বন্ধ কারখানা চালু করতে দেওয়া হবে আরও ১৭ হাজার কোটি টাকা : উপদেষ্টা

| বৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৮:০০ পূর্বাহ্ণ

বন্ধ কারখানা চালু করতে আরও ১৭ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। এতে করে এ খাতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ যে ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল সেটির আকার বেড়ে ৩৭ হাজার কোটি টাকা হবে। ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার বন্ধ কারখানা চালু করতে এ অর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলে তুলে ধরেন উপদেষ্টা।

গত মঙ্গলবার অর্থনীতি বিটের প্রতিবেদকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয়ে কীভাবে হচ্ছে তা তুলে ধরতে গিয়ে সরকারের এ বিশেষ ঋণ প্যাকেজের কথা বলেন উপদেষ্টা। খবর বিডিনিউজের।

আগের সরকারের সময় থেকেই মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সাযুজ্য না রাখার কথা বলে আসছিলেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। নতুন বিএনপি সরকারও সেই ধারাবাহিকতা থেকে বের হতে পারেনি। মূল্যস্ফীতি কমাতে একদিকে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রেখেছে, আরেকদিকে অর্থনীতি চাঙা করতে বড় ব্যয়ের বাজেট দিয়ে সমপ্রসারণমূলক রাজস্বনীতির পথ ধরেছে।

একই সঙ্গে বছর কয়েক ধরে চলা বিনিয়োগ স্থবিরতার মধ্যে দেশিবিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে বিএনপি সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ২৩ মে বন্ধ কারখানা চালু ও অর্থনীতি ‘সক্রিয় করতে’ ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ প্যাকেজ ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণ প্যাকেজের মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকার ‘রিফাইন্যান্স’ (পুনঃঅর্থায়ন) তহবিল গঠন করা হয় বাণিজ্যিক ব্যাংকে থাকা অতিরিক্ত তারল্য থেকে। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকার তহবিল দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আলোচনা সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বন্ধ কারখানাগুলোকে চালু করে অর্থনীতি ও ব্যবসাবাণিজ্যে গতি বাড়াতে এ তহবিলের অর্থায়ন বাড়ানোর কথা বলেন। তবে চালু শিল্প কারখানাগুলো জ্বালানি সংকটে যেন বন্ধ না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন এফবিসিসিআইয়ের নতুন প্রশাসক ব্যবসায়ী নেতা মো. ফজলুল হক।

পূর্ববর্তী নিবন্ধসয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৫ টাকা
পরবর্তী নিবন্ধপটিয়ায় ১৫ দিনের ব্যবধানে সাবেক এমপির বাড়িতে চুরি