প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে মাসিক সাহিত্য সেমিনার

| বৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ at ৭:৩৫ পূর্বাহ্ণ

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে গতকাল বিকেলে জিইসি ক্যাম্পাসে নিয়মিত মাসিক সাহিত্য সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দুটি সময়োপযোগী গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। সেমিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধ দুটির একটি ছিল প্রভাষক জাগরণ দে মিল্টনের-‘চ্যালেঞ্জেস অব প্রনান্সিয়েশন ফেসড বাই ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্টস ইন বাংলাদেশ: এ কেস স্টাডি’। অন্য প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক এ এস এম ইফতেখারুল আজম-‘পলিটিক্যাল ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল রেজিলিয়েন্স অব দ্য সাবঅল্টার্নস: দ্য ইনট্রিকেসি বিটুইন হিউম্যান অ্যান্ড নেচার ইন ঘোষ’স দ্য হাংরি টাইড’।

গবেষক এ এস এম ইফতেখারুল আজম তাঁর আলোচনায় সুন্দরবনের পটভূমিতে রচিত অমিতাভ ঘোষের উপন্যাসের আলোকে পরিবেশ ও মানুষের টানাপোড়েন তুলে ধরেন। অন্যদিকে গবেষক জাগরণ দে মিল্টনের গবেষণায় উঠে আসে পার্বত্য অঞ্চলের চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ইংরেজি উচ্চারণের নানা সীমাবদ্ধতা। প্রধান আলোচকের বক্তব্যে কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম গবেষণার গভীরে প্রবেশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল ভাষা শেখা বা সাহিত্য পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এর পেছনের রাজনীতি ও মানুষের জীবনসংগ্রামকে গভীরভাবে বুঝতে হবে। আলোচক হিসেবে আরও মূল্যবান মতামত দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শান্তনু দাশ এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুর রহিম।

সভাপতির বক্তব্যে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন বলেন, মানসম্মত গবেষণার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক মেলবন্ধন ও সহযোগিতা বাড়ানো খুবই প্রয়োজন। ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. ইফতেখার আলম অন্তরের সঞ্চালনায় সেমিনারে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধকলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধ‘শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ধারণাকে বাস্তবমুখী উদ্যোগে রূপান্তরিত করতে হবে’