আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়নে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন সড়কে ৪১ হাজার বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের। গতকাল বুধবার রাঙামাটি–চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের সাপছড়ি যৌথখামার এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন রাঙামাটি সড়ক সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মেহেদী ইকবাল।
উদ্বোধক বলেন, চলতি বছর আমরা এক হাজার চারা রোপণ করব। আগামী বছর থেকে পরবর্তী চার বছর ১০ হাজার করে আরো ৪০ হাজার চারা রোপণ করা হবে। শুধুমাত্র রোপণের মধ্যে আমাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে না। চারাগুলো আগামী দুই বছর রক্ষণাবেক্ষণও করা হবে। ফলদ, বনজ এবং শ্রীবৃদ্ধি করবে এ ধরনের চারা রোপণ করা হবে।রাঙামাটি সড়ক বিভাগ আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা, উপ–বিভাগীয় প্রকৌশলী তৌহিদুল বারী, উপ–সহকারী প্রকৌশলী রনেল চাকমা, তিথী চাকমাসহ অন্য কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।
রাঙামাটি সড়ক বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরে রাঙামাটি সদর, কাউখালী, নানিয়ারচর ও রাজস্থলীর উপজেলার প্রধান সড়কের পাশে ফলদ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী এক হাজার বৃক্ষের চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে সওজের। পরবর্তী ২০২৭–৩০ সাল পর্যন্ত ১০ হাজার করে আরো ৪০ হাজার বৃক্ষ লাগানো হবে। এর মধ্যে স্থান পাবে জারুল, পলাশ, সোনালু, লাল সোনাইল, চন্দ্রপ্রভা, কাঞ্চন, সাজিনা, নিম, মনিমালা, বসন্ত মঞ্জুরি, আমলকি, মান্দার, বকুল, জলপাই, আমড়া, বহেরা, হরিতকি, ছাতিম, নাগেশ্বর, পাকুর প্রভৃতি দেশীয় উদ্ভিদ প্রজাতি।
এ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, আমরা আগামী ৫ বছর সড়ক বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলার প্রধান সড়কের দুই পাশে এবং অফিস কম্পাউন্ডের খালি জায়গায় ৪১ হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। যেহেতু রাঙামাটি পর্যটন এলাকা, তাই আমরা বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে সড়কের সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়টিকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করব।














