বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ গ্রেড ‘এ–প্লাস’ অর্জন ও ধরে রাখা কোনো রেস্টুরেন্টের জন্য সহজ কাজ নয়। কিন্তু চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ের গোল্ডেন প্লাজায় অবস্থিত বনজৌর রেস্টুরেন্ট টানা তিনবার এই কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি লাভ করে আতিথেয়তা শিল্পে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিএফএসএ–র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠোর ও সূক্ষ্ম। রেস্টুরেন্টের পরিবেশ, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা, খাবার সংরক্ষণ ও মজুদ এবং ভোক্তাদের সাথে আচরণ প্রতিটি বিষয় যাচাই–বাছাই করা হয়। বনজৌর প্রতিটি সূচকে অসাধারণ উৎকর্ষতা প্রদর্শন করে গত ১৬ জুন টানা তৃতীয়বারের মতো ‘উত্তম’ বা ‘এ–প্লাস’ খেতাব অর্জন করে।
বনজৌরের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো খাবার সংরক্ষণের আধুনিক পদ্ধতি ও অত্যন্ত পরিষ্কার–পরিপাটি রান্নাঘর। কাঁচা ও রান্না করা খাবার পৃথক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়, যা খাদ্যের সতেজতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। রান্নাঘরের প্রতিটি কোণা নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা হয় এবং কর্মীরা কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন। পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার এই ধারাবাহিকতাই বিএফএসএ–র মূল্যায়নে বনজৌরকে এগিয়ে রেখেছে। বনজৌর সব সময় নির্ভেজাল, তাজা ও উচ্চমানের উপকরণ ব্যবহার করে থাকে। সরবরাহকারীদের কঠোরভাবে যাচাই–বাছাই করা হয় এবং প্রতিদিনের খাদ্য উপকরণের গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। কোনো ভেজাল বা নিম্নমানের উপাদান যেন রান্নাঘরে প্রবেশ না করে, সেদিকে রয়েছে কড়া নজরদারি। গ্রাহকদের স্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি পদ পরিবেশন করা হয় শতভাগ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত। টানা তিনবার ‘এ–প্লাস’ পাওয়া বনজৌরের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি এটি গ্রাহকদের অগাধ আস্থারও নিদর্শন। বনজৌরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাশ কান্তি দে বলেন, “সম্মানিত অতিথিদের বনজৌর–এর উপর আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। এই স্বীকৃতি আমাদের প্রতি গ্রাহকদের আস্থারই প্রতিফলন। খাবার সংরক্ষণ থেকে রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং নির্ভেজাল উপকরণ ব্যবহার প্রতিটি বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বনজৌরের এই টানা সাফল্যের পেছনে আমাদের প্রতিটি কর্মীর অক্লান্ত পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও ডেডিকেশন, তাঁদের প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











