দুই বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে ২০৮ জনকে সরাসরি নিয়োগ এবং ১ হাজার ৮৬৪ কর্মকর্তা–কর্মচারী পদোন্নতি পেয়েছেন উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এটা আগের সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ লক্ষ্য অর্জনে মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
এরই প্রেক্ষিতে গত বছরের ১১ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস. এম. মনিরুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সরাসরি নিয়োগ পেয়েছিলেন ১৪৪ জন এবং পদোন্নতি পান ৭৯৯ জন। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দুই বছরে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ২০৮ জনকে এবং পদোন্নতি পেয়েছেন ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা–কর্মচারী।
বছরভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগের সংখ্যা ছিল ২০২১ সালে ৩৪ জন, ২০২২ সালে ৯২ জন, ২০২৩ সালে ৬ জন, ২০২৪ সালে ৭ জন, ২০২৫ সালে ১৯৩ জন এবং ২০২৬ সালে (জুলাই পর্যন্ত) ২০ জন। পদোন্নতির ক্ষেত্রে ২০২১ সালে ৩০১ জন, ২০২২ সালে ৯৬ জন, ২০২৩ সালে ৪১১ জন, ২০২৪ সালে ৯০ জন, ২০২৫ সালে ১ হাজার ১৪৩ জন এবং ২০২৬ সালে (জুলাই পর্যন্ত) ২২৪ জন পদোন্নতি পান।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির মাধ্যমে কর্মীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং বন্দরের কার্যক্রমে আরো গতি এসেছে। ভবিষ্যতেও সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ধারা অব্যাহত রেখে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরো কার্যকর অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম।












