১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পরে, যে আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। লক্ষ্য করবার মতো বিষয়, যে পাকিস্তান ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে, ১৯৭০ পর্যন্ত এই ২৩ বছর কোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু করেনি। মানুষের মুখ বন্ধ ছিল, আমাদের চিন্তা, চেতনা, ধ্যান ধারণা প্রকাশ করতে দেয়নি। আমাদের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের উপর আক্রমণ হয়েছিল, ভাষার উপর আক্রমণ হয়েছিল, সবগুলোই গণতন্ত্রহীনতার জন্যে। এবং সেই গণতন্ত্রহীনতা যখন চরম পর্যায়ে পৌঁছে, তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের সূচনা হয়। সুতরাং এই স্বাধীনতা সংগ্রামের পেছনে একটি মৌলিক কারণ ছিল, নিখাদ একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
কিন্তু মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের পরে, বাংলাদেশে আবার স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম করবার চেষ্টা করা হলো। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পরে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনলেও, কিছু দুষ্কৃতকারীর চক্রান্তে শহীদ জিয়াকে হত্যা করে পুনরায় স্বৈরতন্ত্রকে প্রতিস্থাপিত করে। স্বৈরাচারী এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ এর নির্বাচনের পরে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখা দেয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে আবারো ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পরে ব্যবস্থা হিসেবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে দেশী–বিদেশী ষড়যন্ত্র ৯/১১ এর ছদ্মবেশী সেনাশাসন প্রতিষ্ঠা করে। তখনকার সামরিক নেতৃত্বের পক্ষপাতিত্বে সরকার পরিবর্তন হলে, গণ–মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাইরে এক কঠিন কর্তৃত্ববাদী, স্বৈরাচারী শাসন চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ সমস্ত গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়। বিরোধী মত দলন ও খুন, গুম স্বৈরাচারের অবলম্বন হয়ে ওঠে। তারা ১৬ বছর ধরে, গণতন্ত্রহীনতা, মানুষের মৌলিক অধিকার কথা বলবার স্বাধীনতা, মুক্তচিন্তাকে বাকরুদ্ধ করল, মানুষের গণ অধিকারকে বাকরুদ্ধ করল, একটি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চালু করল, এবং মানুষের মৌলিক অধিকারকে হরণ করে, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠা করল, খুন, গুম, নির্যাতন নিয়মিত ঘটনা ছিল, বিচারহীনতার সংস্কৃতি একটি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল, এবং সর্বোপরি কর্তৃত্ববাদী, ফ্যাসিস্ট শাসন তারা চালু করেছিল। এবং তিন তিনটি নির্বাচন, তারা জোর জবরদস্তি ভাবে এবং একটিতো রাতের অন্ধকারে ভোট বাক্স পুরিয়ে রাখবার, চেষ্টা ছিল। এভাবে স্বৈরতন্ত্রকে চরম এক অমানবিক পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছিল।
সমাজে যা কিছু ঘটে, তার মূলে আছে সামাজিক, রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক কনটেক্সট। গণতন্ত্রহীনতা গণ–অভ্যুত্থানের মৌলিক কারণ ছিলো। মনস্তত্ত্ববিদরা বলেন, সমাজে মত প্রকাশের সমস্ত পথ বন্ধ হয়ে গেলে, তখন তা সামাজিক সমস্যা যা রাজনীতি বিমুক্ত হয়, তাকে অবলম্বন করেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়। জুলাই গণ –অভ্যুত্থানও এভাবেই শুরু হয়। কোটা বিরোধী আন্দোলন, সরকার পতন আন্দোলনে পরিণত হয়। মানুষের ক্ষোভ এক বিদ্রোহের ভরবিন্দুতে মিলিত হয়, আর তা হলো, জুলাই গণ–অভ্যুত্থান। মুক্তিযুদ্ধের সাথে এর কোনও সংঘাত নেই বরং মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের এক কর্মযজ্ঞ।
জুলাই–আগস্টে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। যা শুরু হয়েছিল সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে, তা দ্রুত পরিণত হয় দেড় দশকের কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র–জনতার সার্বিক বিদ্রোহে। ৫ আগস্ট ২০২৪–এ কর্তৃত্ববাদী সরকার এর পদত্যাগ ও দেশত্যাগের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলন সফল হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই সময়ে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হন। এই রক্তাক্ত অধ্যায়কে আজ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ বা ‘জুলাই বিপ্লব’ নামে স্মরণ করা হয়। দুই বছর পরে দাঁড়িয়ে এই অভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও পরবর্তী অর্জনগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি।
পটভূমি ও তাৎক্ষণিক কারণ : ২০১৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করে। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ কোটা পুনর্বহালের আশঙ্কা তৈরি হয়। শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সংগঠিত হয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু করে। সরকারের কঠোর দমনপীড়ন, বিশেষ করে ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদের মৃত্যু এবং দেশজুড়ে গুলি চালানোর ঘটনা আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দেয়। ইন্টারনেট বন্ধ, গণগ্রেপ্তার এবং নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ আন্দোলনকে ছাত্র–আন্দোলন থেকে সর্বস্তরের গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরিত করে। দীর্ঘদিনের গুম–খুন, ভোটার অধিকার হরণ, দুর্নীতি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে সঞ্চিত ক্ষোভই এই বিস্ফোরণের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
আন্দোলনের গতিপথ ও সরকারের পতন : জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আগস্টের প্রথম দিনগুলোতে আন্দোলন সর্বব্যাপী রূপ নেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন্দ্র হয়ে ওঠে। বেসরকারি শিক্ষার্থী, শ্রমিক, পেশাজীবী ও সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে এটি সত্যিকারের গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়। ৪–৫ আগস্টের ঘটনাবলি চূড়ান্ত পর্যায়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। এর তিন দিন পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকারের প্রধান অঙ্গীকার ছিল রাষ্ট্রীয় সংস্কার সম্পন্ন করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করা।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালীন অর্জন : অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালন করে। এই সময়ে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।
প্রথমত, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। পতিত সরকারের সময় ব্যাংকিং খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের পুনর্গঠন ও একীভূতকরণ করা হয়। খাদ্য মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। রেমিট্যান্স রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনায় সাফল্য অর্জন এবং জাপান ও চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দ্বিতীয়ত, সংস্কার কমিশন গঠন। সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, দুর্নীতি দমন, জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে কমিশন গঠন করা হয়। এসব কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষরিত হয়।
তৃতীয়ত, জবাবদিহি ও বিচার প্রক্রিয়া। জুলাই গণহত্যার বিচার শুরু হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। গুম কমিশন গঠন করে হাজারেরও বেশি অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়। জাতিসংঘের সুপারিশ অনুসারে জোরপূর্বক গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করা হয়।
চতুর্থত, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ আগের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। প্রবাসীদের ভোটার তালিকাভুক্তি এবং ডাকযোগে ভোটদানের ব্যবস্থা চালু করা হয়।
২০২৬ সালের নির্বাচন ও গণভোট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬–এ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে প্রায় ৬৮.৫৯ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেন। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামী প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। এই নির্বাচন ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো তুলনামূলকভাবে প্রতিযোগিতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত হয়।
দুই বছর পর অর্জনের মূল্যায়ন : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো দেড় দশকের একচ্ছত্র শাসনের অবসান এবং গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার পথ খুলে দেওয়া। শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান, জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনের একটি রূপরেখা তৈরি হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক দিক থেকে দেশকে পতনের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরিয়ে আনা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনে কিছু সাফল্য এসেছে। যদি মোদ্দা কথায় বলতে হয়, তাহলে নতজানু পররাষ্ট্র নীতির পরিহার উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশ সবার সাথে সমান মর্যাদার সাথে বন্ধু হিসাবে থাকতে চায়। কিন্তু স্বৈর শাসনকালে বাংলদেশ স্বৈর শাসকদের ক্ষমতার বন্দোবস্তের কারণে ভারতের প্রায়ই প্রটেক্টরেট এ পরিণত হয়েছিল। জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের এই অধস্তন অবস্থানের অবসান ঘটিয়েছে।
সমান মর্যাদার ভিত্তিতেই শুধু ভারতের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হতে পারে। গত সতেরো বছরে পাকিস্তানের সাথে আমাদের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। এর কারণ নতজানু পররাষ্ট্রনীতি। মনে রাখা দরকার, বাস্তব পৃথিবীতে শক্তির ভারসাম্য রক্ষায়, অতীতে সংঘাতময় সম্পর্ক ছিলো, তাদের সাথেও কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকতে হয়। তার অবসান হতে চলেছে। ঝঅঅজঈ আবার ও পুনরুজ্জীবিত হতে পারে যা গত সরকারের কারণে অকার্যকর হয়ে ছিলো। প্রতিরক্ষায় বাংলাদেশ বেশ একটা ভালো অবস্থায় পৌঁছেছে। তুরস্ক, সৌদি আরব, পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশের সাথে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবচেয়ে বড় বিষয়, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক দেশ অর্জন তা বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এটি প্রমাণ করেছে যে জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ যেকোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। দুই বছর পর দেশে নির্বাচিত সরকার রয়েছে, সংস্কারের একটি কাঠামো তৈরি হয়েছে এবং অর্থনীতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। কিন্তু অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক, ফ্যাসিবাদমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন, নিশ্চয়ই বাস্তবায়িত হবেই। তবে আমরা আশাবাদী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পথ ধরেই বহুত্ববাদী, গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মিত হবে এই বাংলাদেশে।
শহীদদের রক্তের দাবি ছিল কেবল সরকার পরিবর্তন নয়, ব্যবস্থা পরিবর্তন। সেই দাবি পূরণে নির্বাচিত সরকার, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ এবং নতুন প্রজন্মের যৌথ দায়িত্ব রয়েছে। জুলাইয়ের চেতনাকে কেবল স্মরণীয় দিবসে সীমাবদ্ধ না রেখে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমেই এই অভ্যুত্থানের সত্যিকারের সাফল্য নিশ্চিত হবে। ৭১ এর আকাঙ্ক্ষা,২৪ এর অভ্যুত্থানের পথ ধরে হোক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মাণের সোপান।
লেখক: সমাজবিজ্ঞানী; উপাচার্য, চট্টগ্রাম বি জি এম ই এ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম।












