জিডি ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ব্যাট হাতে বড় সংগ্রহ গড়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। এরপর বল হাতেও দাপট দেখিয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৭ দলকে মাত্র ৮৩ রানে গুটিয়ে দিয়ে ২৪৬ রানের বড় জয় তুলে নিয়েছে তারা। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অনূর্ধ্ব–১৯ দল। শুরু থেকেই রান তুলতে থাকে তারা। এসকে জারিফ সিয়াম ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুহিরের উদ্বোধনী জুটিতে ৩.৫ ওভারে আসে ৪৩ রান। ১০ বলে ১১ রান করে মুহির ফিরলেও জারিফ ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন। তিন নম্বরে নামা আদ্রিত ৭ বলে ৫ রান করে ফেরার পর জারিফের সঙ্গে জুটি গড়েন মোহাম্মদ আহসান আল মুমিন। দুজনের ব্যাটে দ্রুত এগোতে থাকে স্কোরবোর্ড। একপর্যায়ে ফিফটি পূর্ণ করেন জারিফ, পরে পৌঁছে যান সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে। তবে শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্ক ছোঁয়া হয়নি তার। দলীয় ২০০ রানে ৭৬ বলে ৯৯ রান করে আউট হন জারিফ। তার ইনিংসে ছিল দারুণ কিছু শট।
জারিফের বিদায়ের পরও অনূর্ধ্ব–১৯ দলের রান তোলার গতি কমেনি। আহসান আল মুমিন ৬৫ বলে ৬৭ রান করে দলকে বড় সংগ্রহের পথে রাখেন। এরপর ফরিদ হাসান ফয়সাল চালান ঝড়। ৫৩ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষদিকে রুবায় ইসলাম রিজনের ৩০ বলে ২৬ রানে নির্ধারিত ৫০ ওভারের পরিবর্তে ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৮ উইকেটে ৩২৯ রান সংগ্রহ করে অনূর্ধ্ব–১৯ দল। অনূর্ধ্ব–১৭ দলের হয়ে ইয়াসিন মজুমদার নেন ৩ উইকেট। সিফাত আলী শিকার করেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ সাকিবুল শিকদার ও ইমরান ভূঁইয়া।
৩৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অনূর্ধ্ব–১৭ দল। মাত্র ৩ রানেই ফিরে যান দুই ওপেনার আসাদুল্লাহ হিল গালিব ও হাসান। দুজনের কেউই রান করতে পারেননি। এরপরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। নয়ন বাবু ২২ বলে ৬, সৌরভ কর্মকার ৩ বলে ৪ এবং ইমরান ভূঁইয়া ৪৭ বলে ২৪ রান করেন। রিফাত হাওলাদার করেন ২৬ বলে ১০ রান। শেষদিকে মোহাম্মদ মাজেদুল ২০ বলে ১১ এবং ইয়াসিন মজুমদার ২৩ বলে ৮ রান করলেও দলকে বড় পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেননি। ২৯.১ ওভারেই ৮৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৭ দল। ফলে ২৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় নিয়ে জিডি ট্রফির যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৯ দল। বোলিংয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ দলের হয়ে সবচেয়ে সফল শাকিল খান। তিনি নেন ৩ উইকেট। শেখ আতিকুর রহমান ও তাফিউল আলম তামিম পান ২টি করে উইকেট। এছাড়া আল রাফি, এসকে জারিফ সিয়াম ও মোহাম্মদ আহসান আল মুমিন একটি করে উইকেট শিকার করেন।










