কারবালার ঘটনা মুসলমানদেরকে যুগে যুগে অসত্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংগ্রামে প্রেরণা জোগায় তাই বিশ্ব মুসলিম কারবালার শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে হোসাইনী প্রেরণায় উজ্জীবিত হওয়ার বিকল্প নেই। কেবল তৌহিদে বিশ্বাস নয় শানে রিসালতের উপরও বিশ্বাস রাখাই প্রকৃত মুসলমানদের পরিচয়। গত ৩১ জুলাই চন্দনাইশ পৌরসভা হারলা–দক্ষিণ জোয়ারা নয়াহাটস্থ আহমদুর রহমান–গফুরা বেগম হেফজ ও এতিমখানা মাদ্রাসা কমপ্লেঙ মাঠে আল হাসনাইন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের ২৩তম ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ইমাম হোসাইন (রা.) কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ড. আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ওসমান গণি সালেহী উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। গাউসিয়া কমিটি দুবাই ইন্টারন্যাশনাল সিটির সভাপতি ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আলহাজ মুহাম্মদ ফারুক বাহাদুরের সভাপতিত্বে ও আল–হাসনাইন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আলমগীর ইসলাম বঈদীর পরিচলনায় অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে উদ্বোধক ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চন্দনাইশ পৌরসভার সদস্য মুহাম্মদ ইখতিয়ার হোসেন ইফতু। বিশেষ বক্তা ছিলেন সোলাইমান ফারুকী, অধ্যক্ষ আবুল কাশেম আনসারী, মুফতি শাহ ফাইজুল কাবির বদরী,মাহবুবর রহমান কাদেরী, সোহাইল উদ্দিন আনছারী, নুরুল আজিম, হাফেজ ক্বারী এয়াকুব আলী তাহেরী, হাফেজ মুহাম্মদ ইদ্রিস। নাতে রাসুল (দ.) পরিবেশন করেন মহিউদ্দিন তানভীর। উপস্থিত ছিলেন আবু তালেব, মাস্টার রফিক আহমদ, আবদুল মজিদ কাদেরী, মাজহার হেলাল, অলি হোসেন মুন্সি, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, জাফর আলম কোম্পানি, এম. এ আউয়াল, গোলাম ইয়াসিন, জামাল উদ্দিন চৌধুরী, আবদুর রহিম সওদাগর, মোজাফফর আহমদ, মুহাম্মদ আলী, কাজী মুহাম্মদ এহসান, শাহজাহান প্রমুখ। শেষে মাদরাসার ৪ জন হেফজ সমাপ্তকারীদের দস্তারবন্দী প্রদান করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












