গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে

মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশে হামিদুর রহমান আজাদ

| রবিবার , ২ আগস্ট, ২০২৬ at ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জুলাইয়ের গণহত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে গতকাল শনিবার বিকেলে নগরীর বহদ্দারহাট মোড়ে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বহদ্দারহাট মোড় থেকে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও মহানগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, মহানগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, ফয়সল মুহাম্মদ ইউনুস, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান হেলালী, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, চট্টগ্রাম১১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শফিউল আলম এবং জুলাই আন্দোলনের শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্তের পিতা জাকির হোসাইন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু আজও জনগণ দারিদ্র্যমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সুশাসনভিত্তিক রাষ্ট্র পায়নি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রজনতা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই রাজপথে নেমেছিল। সেই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে দেশের প্রতিটি বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সবার একটাই দাবি, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তা নাহলে পর্যায়ক্রমে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

. আজাদ বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হলেও এখন সেই অঙ্গীকার ভুলে যাওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দলীয়করণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করা হয়েছে। চারপাশে চাঁদাবাজদের রেখে চাঁদাবাজি বন্ধ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর অফিস সম্পাদক হামেদ হাসান ইলাহী, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, কোতোয়ালী থানা আমীর আমির হোসাইন, ডবলমুরিং থানা আমীর ফারুকে আযম, চান্দগাঁও থানা আমীর মুহাম্মদ ইসমাইল, চকবাজার থানা আমীর আহমেদ খালেদুল আনোয়ার, পাঁচলাইশ থানা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমি প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচীনের এআই জোটে পর্যবেক্ষক সদস্য হচ্ছে বাংলাদেশ
পরবর্তী নিবন্ধসিডিএর নতুন মহাপরিকল্পনায় নগরীর বাইরের ৫ উপজেলা