প্রতি মুহূর্তে খুন হচ্ছে নারী।
বদরাগী ও ক্ষমতায়নে মত্ত স্বামী কব্জা করা
ভালোবাসার নামে মায়াবী মুখের স্নিগ্ধ নারী!
বোকার তকমা দিয়ে শেষমেশ কেড়ে নেয়
মানসিক স্থবিরতা; ধীরে ধীরে ঠেলে দেয় মৃত্যুকূপে!
স্বার্থপর সন্তান নিজের সুখের সুনিশ্চিত ডিপোজিটে
বাদ দেয় মায়ের মমতা। একলা ঘরে পঁচেগলে মা;
এভাবেই অমানুষ সন্তান শোধ দেয় মায়ের জঠরের মূল্য?
পাশের বাড়ির দেহলোভী খুবলে খায় ছোট্ট শিশুকন্যা।
ছিন্ন–বিচ্ছিন্ন করে ফুলেশ্বরীর কোমলতা।
কী দোষ করেছিলো আমাদের শিশু কন্যারা?
দিঘির কুমিরটি একটি কুকুরের আহাজারিতে যারা হেসেছিলো,
তাদের শাস্তি দিতেই বুঝি এবার টেনে নেয় কিশোরীকে!
আমরা সব অসহায়, নীরব দর্শক– কিছুতেই এইসব
পৈশাচিকতা থামাতে পারি না; পারি না প্রতিবাদে প্রতিবাদে
ঝাঁঝরা করে দিতে মানুষরূপি শয়তানের সিন্ডিকেট!
প্রতিদিন এতো এতো খুনের মহড়া চারদিকে;
তবুও আমি, তুমি, আমরা নিশ্চুপ!
আমাদের স্বামী, সন্তান, ভাই ও কাছের মানুষদের কাছে
খুন হতে হতে আমরা ক্লান্ত; আমাদের বিচার
চাওয়া–পাওয়ার পাটিগণিতে কেবল খুনের সংখ্যা বাড়ে!
আমাদের মায়েদের তোমরা ভালোবাসা দাও;
আমাদের কন্যাদের তোমরা হাসিমুখ দাও!
তোমাদের হৃদয়বিদারক খুনের মহড়া বন্ধ করো!
আমাদের মায়েদের ও কন্যাদের তোমরা বাঁচতে দাও!






