কোনো অবস্থাতেই আলোকিত সমাজ তৈরির কারিগর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কলুষিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম–১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। তিনি গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচকের বক্তৃতায় এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা শুধু জাতির মেরুদণ্ড নয়। শিক্ষা অক্সিজেন। অক্সিজেন ছাড়া আমরা বাঁচবো না। জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদেরকে যে পথে হাঁটবার জন্য সৃষ্ট হয়েছিল, সে পথ কিন্তু আমরা পাড়ি দিতে পারবো না যদি দুটো জায়গা আমরা ঠিক করতে না পারি। শিক্ষা যেন আলোকিত সমাজ তৈরিতে সাহায্য করে সেই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা আমরা তৈরি করবো এবং আমাদের আন্তর্জাতিক মানের যেসব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আছে, সেগুলো যাতে কোনভাবেই কলুষিত না হয় সেই ব্যবস্থা আমাদের রাখতে হবে। কারণ, পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তার কাজ করতে পারে না। আর এজন্য শিক্ষক, প্রশাসক এবং রাজনীতিবিদদের যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
সাঈদ আল নোমান আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল যোদ্ধার লক্ষ্য ছিল সমাজ পরিবর্তনের। জাতি গঠনের উদ্দেশ্য সমাজ পরিবর্তন। এই সমাজ পরিবর্তন করেই কিন্তু জাতি গঠন করতে হবে। আমরা চিন্তার নেতা তৈরি করতে চাই। চিন্তার শুধু অনুসারী তৈরি করতে চাই না।’ সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। এতে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো: নূরুল হক এবং পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম। আলোচনাসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিভাসু অফিসার সমিতির সভাপতি খলিলুর রহমান এবং সিভাসু শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হোসেন তালুকদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক নাঈমা ফেরদৌসী হক ও ড. মেহের নাহিদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর পৃথক দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












