কর ফাঁকির জরিমানায় দালিলিক প্রমাণ বাধ্যতামূলক : এনবিআর

| শুক্রবার , ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ at ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ

শুধু করদাতার আয় প্রাক্কলন করলেই কর ফাঁকির অভিযোগে জরিমানা আরোপ করা যাবে না। আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন কিংবা অসত্যভাবে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি হয়েছে, এমন গ্রহণযোগ্য দালিলিক প্রমাণ থাকতে হবে। একই সঙ্গে জরিমানা আরোপের আগে সংশ্লিষ্ট করদাতার শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আয়কর আইন, ২০২৩এর ধারা ২৭২এর প্রয়োগ সংক্রান্ত এক আদেশে এ নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

গত বুধবার এনবিআরএর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষর করা আদেশটি জারি করা হয়। আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর আইনের অংশ১৯ এ উল্লিখিত সব ধরনের জরিমানা আরোপের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতা বা ব্যক্তির শুনানি গ্রহণ অথবা শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক। খবর বাসসের।

কোনো করদাতার আয়, সম্পদ, দায় বা ব্যয় গোপন অথবা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের কারণে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে আয়কর আইন, ২০২৩এর ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, জরিমানা আরোপের আগে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে প্রথমে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে রায় বা করাদেশ দিতে হবে। জরিমানা আরোপের প্রযোজ্যতা পাওয়া গেলে একই করাদেশে জরিমানা আরোপ করতে হবে। অন্যদিকে, জরিমানার প্রযোজ্যতা না থাকলে, কোনো জরিমানা আরোপ করা যাবে না।

আদেশে চাকরি থেকে আয়, বাড়ি বা সম্পত্তি ভাড়া থেকে আয়, কৃষি আয়, ব্যবসা বা পেশা থেকে আয়, মূলধনী আয়, আর্থিক পরিসম্পদ থেকে আয় ও অন্যান্য উৎস থেকে আয়ের ক্ষেত্রে ধারা ২৭২ প্রয়োগের বিষয়টি পৃথকভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত কোনো খাতের আয় গোপন করা বা অসত্য পরিমাণে প্রদর্শনের মাধ্যমে কর ফাঁকি সংঘটিত হলে ধারা ২৭২ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা যাবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআজ শুভ জন্মাষ্টমী
পরবর্তী নিবন্ধজমির নামজারিতে নতুন যে পরিবর্তন এলো