ধুত্তেরি! কেন যে এ–তো তাড়াতাড়ি মনের অচেনা কথা সব খুব চেনা ভাবে হারিয়ে যাচ্ছে! এইতো এখন, যে কথাটি লিখতে গিয়ে সে অল্প কিছুক্ষণ, আগে যেন তাকেও আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হায়রে! ভাবুক মন সবখানে কেন তোমার, এই নন্দনকানন ঘোর তামাশা? আসলে জীবনের প্রতিটা সময় বুঝি একটা তামাশা! তা–না হলে এতো দল বেঁধে ‘সত্যি‘ যদি আসবি, তবে আমাকে দলছুট করে কেন সে পালাবি? পলাতকা বন্ধু আমার, তোকে নিয়ে আমার কত স্বপ্ন আর কথার পাহাড়? অথচ এই ভুলো মনে – সবটাতে এখন হারিয়ে যাচ্ছি – শুধু গোপনে! কবিতাকে আজ তাই কবিতা ভেবে খুব আশ্চর্যজনক ভাবে সে কোথা জানি ফেলে এসেছি! অথচ এই নিরন্তর মনে আমার যা– কিছু ছিল তার সবটাই দিয়ে আমি তাকে ভালোবেসেছি, খুব ভালোবেসেছি! অথচ দিনশেষে সে–ও আমাকে ফেলে – এক্কেবারে কোথা জানি, লাপাত্তা! কবিতা, চারিদিকে জীবনের কতো অটুট বন্ধন? তবু সে সময়টা একটুখানি ফুরসৎ হতে আবার মনের এই অবচেতনে কে যেন নিজেকে নিয়ে শুধু খাবলে খাচ্ছে – শুধু তার সে একরাশ নিঃসঙ্গতা!











