ঈদুল আজহায় চট্টগ্রাম থেকে আন্তঃজেলার দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাস কোম্পানীগুলো। ঈদযাত্রায় নির্বিঘ্নে যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে আন্তঃজেলা বাস মালিকরা। ঈদে চট্টগ্রাম থেকে দেশের প্রায় ৫০টি রুটে প্রতিদিন যাত্রী পরিবহন করা হবে। প্রতিদিন এক হাজার থেকে ১২শ এসি–ননএসি বাসে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন রুটে ৪০ থেকে ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হবে বলে জানান আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সচিব মনোয়ার হোসেন।
আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির এই কর্মকর্তা জানান, ঈদ উপলক্ষে দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন বাস কোম্পানী নিজেদের মতো করে গত ১১ মে থেকে টিকিট বিক্রি শুরু করেছে।
আমাদের আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির অধীনে প্রায় ৪ হাজারের মতো বাস রয়েছে। এরমধ্যে ঈদে সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার থেকে ১২শ’ এসি–ননএসি গাড়ি যাত্রী পরিবহন করবে। এসব গাড়িতে করে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ হাজারের বেশি যাত্রী ঈদে বাড়ি ফিরতে পারবে। গাড়ির কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সচিব মনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের যাত্রী সংকট। ঈদের বন্ধে যাত্রীরা ধাপে ধাপে নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রায় বাড়ি ফিরতে পারবেন। ঈদ উপলক্ষে আমাদের শুধুমাত্র দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিট দেয়া হয়। ঢাকা, বৃহত্তর নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা এসব এলাকার অগ্রিম টিকিট দেয়া হয় না। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ–রাজশাহী–দিনাজপুর, রংপুর, যশোর–বেনাপোল এসব এলাকার বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়। আন্তঃজেলা বাস কাউন্টারের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঈদে সবচেয়ে বেশি যাত্রী যায়–বৃহত্তর নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা–সিলেট এলাকায়। ঈদ উপলক্ষে বিআরটিসি বাস কাউন্টার থেকে অগ্রিম টিকিট নেয়ার পর নগরীর দামপাড়া, অলংকার মোড়, একেখান গেইট, বিআরটিসি, কর্ণেলহাট গেইট, নেভি গেইট, বায়েজিদসহ যে কোনো কাউন্টার থেকে যাত্রীরা উঠতে পারবেন। জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেট, রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন রুটে দূরপাল্লার বাস সার্ভিস সমূহ বিশেষ করে–শ্যামলী, হানিফ পরিবহন, গ্রীণ লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, ইউনিক, ঈগল, দেশ ট্রাভেল, তিশা পরিবহন, ঈশিতা পরিবহন, শান্তি পরিবহন, সিল্ক লাইন, ইকোনো সার্ভিস, সেন্টমার্টিন, এ কে ট্রাভেলস, স্বাধীন পরিবহন, মারছা পরিবহনের এসি ও ননএসি বাস সমূহ চলাচল করে। এদিকে সরেজমিনে কদমতলী বাস স্টেশনে গিয়ে বিভিন্ন বাসের চালক ও সহকারীদের সাথে কথা হলে তারা জানান, আগামী ২৩ মে থেকে যাত্রীরা ঈদে বাড়ি যাওয়া শুরু করবেন। তারা সেই ভাবে গাড়ি প্রস্তুত করছেন বলে জানান চালক ও কাউন্টারের স্টাফরা।












