অধ্যক্ষ জয়নুল আবেদীন জুবাইর বলেছেন, জাতীয় জীবনে একটি সুশিক্ষিত, মেধাবী, কর্মক্ষম ও আদর্শ প্রজন্ম গঠনের বিকল্প নেই। আদর্শ জাতি গঠনে সুশিক্ষিত প্রজন্মের বিকল্প নেই। অধ্যক্ষ এস এম ফরিদ উদ্দীন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মননের বিকাশ এবং নৈতিকতাসম্পন্ন আদর্শ প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি সংসদ গত ২৭ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে মেধাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তিনি একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. শামসুদ্দিন শিশির বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি করে তাদের দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি সংসদের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। গত ৮ মে নগরীর এলজিইডি ভবনস্থ মিলনায়তনে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে শহীদ লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংসদের পরিচালক কাজী মোহাম্মদ আহসানুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ জয়নুল আবেদীন জুবায়ের। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন শিশির। প্রধান বক্তা ছিলেন সংসদের প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ এস এম ফরিদ উদ্দিন। উদ্বোধক ছিলেন কুতুব শরীফ দরবারের সাজ্জাদানসীন পীরে তরিকত শাহ আব্দুল করিম আল কুতুবী। ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দীন জাহেদ ও শহীদুল ইসলামের অতিথি ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক মোহাম্মাদ ইকবাল, অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম।
বক্তব্য দেন, অধ্যক্ষ এম ইব্রাহীম আখতারী, স ম হামেদ হোসাইন, মুজিবুল হক শাকুর, অধ্যাপক সৈয়দ হাফেজ আহমদ, অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন তৈয়্যবি, এ এম মইনুদ্দিন চৌধুরী হালিম, মাওলানা জয়নাল আবেদীন জিহাদী, কফিল উদ্দিন, মাসরুর রহমান, ফোরকান উদ্দীন, রাশেদুল ইসলাম প্রমূখ। পরে ভিত্তি প্রাপ্তদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।













