শিশু ধর্ষণ এবং যৌননিপীড়ন প্রসঙ্গে প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুর রহমান বলেছেন, মানুষের মধ্যে দুইটি দিক থাকে, ভালো এবং খারাপ দিক। নিয়ম কানুন, ধর্মীয় শাসন এবং নৈতিকতা দিয়ে ভালো দিকের বিকাশ ঘটে, অপরদিকে ব্যক্তিত্বের অচলাবস্থা (পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার) ঘটায় খারাপ দিকের বিকাশ। সমাজে যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের ব্যক্তিত্বে সমস্যা রয়েছে। এই ব্যক্তিত্বের সমস্যায় ধর্ষকামী হয়ে উঠা মানুষগুলো অপেক্ষাকৃত দুর্বল হওয়ায় শিশুদের টার্গেট করে। কারণ শিশুরা প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ করতে পারে না।
এই ধরনের মানুষের সিমপ্যাথি এবং ইমপ্যাথি নষ্ট হয়ে যায় বলে মন্তব্য করে ড. শাহীন বলেন, তারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে যায়। তাদের মনে অপরের জন্য দয়া মায়া থাকে না। তাদের পারিবারিক এবং দাম্পত্যেও সমস্যা থাকে, যা তাদেরকে ধর্ষকামী করে তোলে।
এই ধরণের ঘটনা প্রতিরোধে সমাজের বিবেকবান অংশকে শক্তিশালী, আইনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ধর্মীয় অনুশাসনে ফোকাস করা, মাদকের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, মানুষের মাথার সামনের অংশে প্রি–ফ্রন্টাল কর্টেঙ এম্প্যাথি সেন্টার থাকে। মাদক এই সেন্টার পুরোপুরি অকেজো করে দেয়। একজন মাদকাসক্ত যা ইচ্ছে করতে পারে। এটা সমাজকেই ঠেকাতে হবে। আইন এবং কমিউনিটিকে শক্তিশালী করতে হবে বলেও ড. শাহীন মন্তব্য করেন।












