আদিমানব
ভাষান্তর : নাজিমুদ্দীন শ্যামল
আদিম মানুষ হাতিয়ারে হাতলে আঁকতো
ছোট ছোট রেখা। পূর্ণ চন্দ্রের নানান বিন্যাস
জেগে উঠতো হাতের হাতলে।
আনমনে কাজ করতো আর ভাবতো
পশুর জীবনচক্র। নিমগ্ন হয়ে জলের পাত্রে
দেখতো নিজের মুখ।
আমার প্রতিটি গল্পে জীবনচক্রের
অবাক মুহূর্ত এসে যায়। আমি আর
সম্মুখে তাকাতে পারি না। আর আমি
নিেেজকে ক্রমশ ঘৃণা করি অন্ধের মতো।
যারা গল্পে কেবল মানুষের কথা বলে
তারা কি তবে অন্ধ, নাকি এটা সংশয়।
প্রেরিতদের শহর
ভাষান্তর: জয়দেব কর
তোমার মৃত্যুর পর
প্রতিদিন হাওয়া বইত।
প্রতিদিন।
আমাদের পথে দেয়াল হয়ে দাঁড়াত।
আমরা চলে যেতাম।
পাশ ফিরে চিৎকার করে
বলতাম কথা পরস্পরের সঙ্গে।
রাস্তা ধরে।
কোনও লাভ হতো না।
আমাদের মধ্যখানের শূন্যস্থানগুলো
কঠিন হয়ে উঠেছিল।
ওগুলো শূন্যস্থান বটে,
তবুও যেন নিরেট কালো আর মর্মান্তিক।
যেন বহু বছর আগে তোমার চেনা বৃদ্ধার
দাঁতের ফাঁকগুলোর মতো।
একসময় যে ছিল অপরূপ সুন্দরী,
আর যার ভেতর দিয়ে রাজপ্রাসাদের আগুনের মতো
বয়ে যেত স্নায়ুগুলোর আলো।












