অনূর্ধ্ব-১৩ একাডেমি কাপ ফুটবলের ফাইনালে রামপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক | শুক্রবার , ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ at ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ

সিডিএফএ মেয়র অনূর্ধ্ব–১৩ একাডেমি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে রামপুর ফুটবল একাডেমি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে তারা ৩–০ গোলে ডায়নামিক ফুটবল একাডেমিকে পরাজিত করে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করে। খেলায় দু–দল সমানতালে লড়াই করার চেষ্টা করলেও গোল পেয়ে যাওয়ার পর রামপুর ফুটবল একাডেমিকে আর ধরে রাখা যায়নি। এরপরে দাপট দেখিয়ে আরো ২ গোল আদায় করে নেয় তারা। খেলার ২৪ মিনিটে ডায়নামিক একাডেমি গোল হজম করার আগ পর্যন্ত রামপুর একাডেমির বিপক্ষে প্রাণপন লড়েও গোলের দেখা পায়নি। রামপুর একাডেমি এ সময়ে বিক্ষিপ্ত কয়েকটি আক্রমণ করলেও কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। অবশেষে খেলার ২৪ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় রামপুর একাডেমি। এ সময় কর্নার থেকে ডায়নামিক একাডেমির বক্সে সৃষ্ট জটলায় বক্সের ভেতর থেকে মাটি কামড়ানো শটে গোল করে রামপুরের সায়মন হোসেন (১–০)। ৪১ মিনিটে রামপুর একাডেমির দ্বিতীয় গোলের উৎস ছিলেন ঐ সায়মন হোসেন। বাঁদিক থেকে তার বানিয়ে দেয়া বলে নিখুঁত হেডে গোল করে অংকুর দাশ (২–০)। সায়মন হোসেনের গোলের পর ঐ অ্যাসিস্ট ছাড়াও মাঠে তার দেখার মতো কয়েকটি অসাধারণ ডেলিভারি ও শারীরিক কসরত দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। এ কারণে তাকে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচন করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না নির্বাচকদের। ৫৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করা অংকুর দাশের ক্রস গোলকিপার কোনমতে ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নুরুল হুদা তানভীরের শট জালে জড়ায় (৩–০)। ৫৬ মিনিটে অংকুর দাশ বক্সের ভেতর থেকে ক্রস পীচ উচিয়ে মেরে দিলে রামপুর ফুটবল একাডেমিকে ৩–০ গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এ সময়ে ডায়নামিক একাডেমিকে রক্ষণভাগ সামাল দিতে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

খেলার ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় রামপুর ফুটবল একাডেমির সায়মন হোসেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন সিডিএফএর সহ–সভাপতি, সাবেক কৃতী ফুটবলার মোহাং শাহাজাহান।

টুর্নামেন্টের অপর ফাাইনালিষ্ট দল আকুবদন্ডী ফুটবল একাডেমি। গত বুধবার অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে আকুবদন্ডী ফুটবল একাডেমি টাইব্রেকারে বড়উঠান ফুটবল একাডেমিকে পরাজিত করে প্রথম দল হিসাবে ফাইনালে উঠে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধরিশাদকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হোবার্ট
পরবর্তী নিবন্ধরাগেশ্রী সংগীত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন