জলবায়ু ঝুঁকিতে ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ

| শনিবার , ৭ নভেম্বর, ২০২৬ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

বিশ্বজুড়ে অন্তত ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ খরা, বন্যা ও প্রাণঘাতী তাপদাহের মতো চরম জলবায়ু ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। সংঘাত ও জলবায়ু পরিবর্তনের যৌথ প্রভাবে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে অর্থায়ন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। খবর বাংলানিউজের।

আসন্ন কপ৩১ জলবায়ু সম্মেলনের আগে শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের প্রায় তিন–চতুর্থাংশ আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে বসবাস করছেন। ইউএনএইচসিআরের সহকারী হাইকমিশনার (অপারেশন্স) অ্যান্টন লেইস গার্সিয়া বলেন, সংঘাতকবলিত ও ভঙ্গুর এলাকাগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া শুধু উন্নয়নের বিষয় নয়, মানুষের বেঁচে থাকার জন্যও জরুরি। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষের কাছে জলবায়ু অর্থায়ন পৌঁছানো প্রয়োজন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিজ দেশে ফিরে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশে ফিরে যাওয়া শরণার্থীদের দুই–তৃতীয়াংশের বেশি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ফিরেছেন। সিরিয়ায় ফিরে যাওয়া প্রায় ৪০ লাখ মানুষ পানিসংকট ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের মুখে পড়েছেন। গত মে মাসে ফোরাত নদীর বন্যায় হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ২০৫০ সালের মধ্যে সাব–সাহারান আফ্রিকার প্রতি তিনটি শরণার্থী শিবিরের একটিতে বছরে অন্তত ১০০ দিন প্রাণঘাতী তাপদাহ দেখা দিতে পারে। ইথিওপিয়ার হেলাওয়েন শিবিরে বছরে ২০০ দিনেরও বেশি সময় তীব্র গরম স্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে হিটস্ট্রোক ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়বে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, একদিনেই উধাও ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার