ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন সড়ক ও অবকাঠামোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যেগুলোর উন্নয়নের ফলে সর্বাধিক মানুষ উপকৃত হয়। এ জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। তিনি গতকাল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ও ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের ‘অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ নিয়ে চসিক রেস্ট হাউসে আয়োজিত এক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুটি ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্ট জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনতে হবে। এলাকার প্রকৃত সমস্যা কী তা স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবচেয়ে ভালোভাবে জানেন। কোথায় সড়ক সংস্কার প্রয়োজন, কোথায় নতুন সড়ক নির্মাণ করতে হবে, কোন এলাকায় পর্যাপ্ত সড়কবাতি নেই কিংবা কোন অবকাঠামোর অভাবে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন্তএসব বিষয় স্থানীয় পর্যায় থেকেই চিহ্নিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে চসিক প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সিটি করপোরেশনের লক্ষ্য। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়ক, নালা–নর্দমা ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের দুর্ভোগে ছিলেন, সেসব এলাকায় প্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মতবিনিময় পর্বে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ১ ও ২নং ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত বিভিন্ন সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নকাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তারা এলাকার অবশিষ্ট সমস্যাগুলো তুলে ধরে নতুন সড়ক নির্মাণ, পুরোনো সড়ক সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কবাতি স্থাপন এবং বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পরামর্শ দেন। এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত উন্নয়নকাজের ফলে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের সুবিধা বেড়েছে। সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা, ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ও ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডের স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











