আড়াই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন, কমেছে দেনার পরিমাণ

চসিকে ডা. শাহাদাতের দুই বছর । 'সরকার সিটি গর্ভনমেন্ট উপহার দিলে শহরকে সিঙ্গাপুরের আদলে গড়ে তুলব'

মোরশেদ তালুকদার | বৃহস্পতিবার , ৫ নভেম্বর, ২০২৬ at ৬:৩৫ পূর্বাহ্ণ

নগরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গত দুই বছর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যয় করেছে ২ হাজার ৪২৩ কোটি ৬৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রায় ৬৭৮ টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তাঘাট ও ড্রেনের সংস্কারের পাশাপাশি নতুন করে নির্মাণ, রিটেইনিং ওয়াল স্থাপন, ফুটপাতে স্ল্যাব বসানোসহ বিভিন্ন খাতে এ অর্থ ব্যয় হয়। অবশ্য এর মধ্যে কিছু প্রকল্পের কাজ এখনো চলমান আছে। এছাড়া একই সময়ে সড়কবাতি স্থাপনের মাধ্যমে নগর আলোকায়নে ব্যয় করে আরো ৭৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে গত দুই বছরে নগর উন্নয়নে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে চসিক। একইসময়ে বেড়েছে সংস্থাটির রাজস্ব আয়। কমেছে দেনার পরিমাণও।

গত দুই বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকায় নগর উন্নয়ন ও কর্পোরেশনের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিকে নিজের সাফল্য হিসেবে দেখছেন চসিকের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। যিনি ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর চসিকের মেয়র হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন। ১ বছর ১১ মাস ২০ দিন মেয়রের দায়িত্ব পালনের পর সরকার গত ২৫ অক্টোবর তাকে চসিকের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেন। আজকের (বৃহস্পতিবার) দিন পর্যন্ত তিনি ১১ দিন প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সবমিলিয়ে কর্পোরেশনে মেয়র ও প্রশাসক হিসেবে দুই বছর পূর্ণ করলেন ডা. শাহাদাত হোসেন।

দায়িত্বপালনের এ দুই বছরে নিজের সাফল্য ও ব্যর্থতার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আজাদীর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। যেখানে উঠে এসেছে নগরবাসীর দীর্ঘদিনের নানা সমস্যার সমাধান এবং একটি পরিকল্পিত ও আধুনিক চট্টগ্রাম গড়ার রূপরেখা। এই দুই বছরের মেয়াদে কর্পোরেশনের আর্থিক স্থবিরতা ফিরিয়ে আনা থেকে শুরু করে জলাবদ্ধতা নিরসন, রাজস্ব বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বলে জানান প্রশাসক।

আলাপকালে ডা. শাহাদাত হোসেন নগর উন্নয়নের বাইরে বেশ কিছু কার্যক্রমকে সাফল্য এবং চসিককে এগিয়ে নেয়ার মাইলফলক হিসেবে দাবি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে– বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, ৩৮ ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ (৪টির কাজ শেষ, ১৫টি চলমান ও ১৭টির টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান), জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল–নালা পরিষ্কার ও সমন্বিত উদ্যোগ, কূলগাঁও বাস টার্মিনাল নির্মাণ (কাজ শেষের পথে), পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য সেবক কলোনি নির্মাণ, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগ, ১০ লক্ষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, চসিক জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেল চালু, ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন কর্মসূচি, বন্ধু শিশুপার্ক চালু, সবুজায়ন ও বিনোদন কেন্দ্র উন্নয়নে উদ্যোগ, ৪১ ওয়ার্ডে ৪১ খেলার মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ ( ১১টির কাজ শেষ), সড়ক ও ড্রেনেজ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ, নাগরিক সেবা আরো সহজ করতে ৬টি প্রশাসনিক জোনকে ৮টিতে উন্নীতকরণ, ট্রেড লাইসেন্সে সেবায় ডিজিটাল রূপান্তার, ১ হাজার ৫৫৭ জন অস্থায়ী কর্মচারিকে স্থায়ীকরণ, নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ডিজিটাল জব পোর্টাল চালু, রেকর্ড সংখ্যক পৌরকর আদায়, স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যকার্ড চালু, যা দেশে প্রথম, নগরবাসীর সমস্যা দ্রুত নিরসনে ‘আমাদের চট্টগ্রাম অ্যাপ’ চালু এবং পতেঙ্গায় দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ।

১০০–এ কত পাবেন? ‘ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। শহরকে সাজাতে নিয়েছেন নানা পরিকল্পনা। এ অবস্থায় নিজের অর্জনকে ১০০–এ কত দিবেন?’ এমন প্রশ্নে প্রশাসক বলেন, এটা আমি নগরবাসীর উপর ছেড়ে দিব। আমি নগরবাসীর জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করেছি। কোনো অবহেলা করিনি। এখন কাজের মূল্যায়ন করবেন তারা।

সিটি গর্ভমেন্ট চালু হলে শহর গড়বেন সিঙ্গাপুরের আদলে : সিটি গর্ভমেন্ট বা নগর সরকার ব্যবস্থা চালু হলে চট্টগ্রামকে সিঙ্গাপুরসহ উন্নত রাষ্ট্রগুলোর আদলে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে জানান ডা. শাহাদাত। তিনি বলেন, আমার একটাই শুধু স্বপ্ন–এই শহরে কবে সিটি গভর্নমেন্ট হবে। আমি এ শহরটাকে সিঙ্গাপুরের মতো করে দিতে চাই, যদি সরকার আমাকে নগর সরকার উপহার দেন। সিঙ্গাপুর, টরন্টো, টোকিও সিটির সাথে আমরা তুলনা করি, কিন্তু এদের তো নগর সরকার আছে, আমাদের তো নগর সরকার নেই। নগর সরকার ছাড়া একটি পরিকল্পিত শহর গড়ে তোলা আসলেই কষ্টসাধ্য। যেমন ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করলাম। এরপর সেখানে হকার বসা রোধে কাজ করতে হবে পুলিশকে। তারা আলাদা সংস্থা। নগর সরকার হলে কাজটা সহজ হতো। হকারদের পুর্নবাসনের কথা বলা হয়। রেলস্টেশনের ওখানে বিশাল জায়গা পড়ে আছে। সে জায়গা চাইলে নানা জটিলতা হবে। নগর সরকার হলে এ জটিলতা থাকতো না।

জলাবদ্ধতা নিরসন : চসিক সূত্রে জানা গেছে, জলাবদ্ধতা নিরসনে ৪১টি ওয়ার্ডে বিশেষ খাল–নালা পরিষ্কার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০২৫ সালে ১৪৮টি নালা পরিষ্কার করা হয়েছিল, পরবর্তী কর্মসূচিতে আরো প্রায় ৫০০টি ছোট নালা পরিষ্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

খাল, নালা পরিষ্কার রাখাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়ার কারণে গত দুই বছরে চট্টগ্রাম শহরের প্রায় ৭০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেন ডা. শাহাদাত। তিনি বলেন, বাকলিয়া এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে এর সত্যতা পাওয়া যায়। অতিবৃষ্টির পানি এখন দীর্ঘক্ষণ জমে না থেকে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে নেমে যায়। ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা সমস্যা দূর করতে সেনাবাহিনীর প্রকল্পভুক্ত ৩৬ খালের বাইরে থাকা খালগুলো খননে প্রকল্প নিচ্ছি। বারইপাড়া খাল খনন কাজ শেষ করেছি। খালটিসহ ৩৭ খালের রক্ষাবেক্ষণে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। প্রশাসক বলেন, আমরা শুধুমাত্র খাল খনন করছি না, সৌন্দর্যবর্ধন করছি। আমরা অলরেডি ওয়াকওয়ে করে দিয়েছি খালের পাড়ে। ওয়াকওয়ের সাথে সাথে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য গাছ লাগানোর কাজও চলছে। বিমানবন্দর সড়কে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক করেছি। শহরের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে খালের পাশে আমরা ট্রাই করছি সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে করার। সিডিএ ৩৬টা খাল আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবে, ৩৬টা খালের যেখানে যেখানে পসিবল সেখানে আমরা ইনশাআল্লাহ সেটা করে যাব।

ঋণমুক্তি ও রেকর্ড রাজস্ব আয় : রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে গত দুই বছরে। পূর্বে রাজস্ব আয়ের হার যেখানে ৫১ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, তা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ডা. শাহাদাত বলেন, বন্দর থেকে ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিষয়ে দায়িত্ব নেয়ার পরই উদ্যোগ নিয়েছি। তাই চট্টগ্রাম বন্দরকে থেকে ২২৪ কোটি টাকা করে পৌরকর পরিশোধ করতে হবে, যা কর্পোরেশনের ইতিহাসে প্রথমবার অর্জিত হয়েছে। এ টাকা পেলে সিটি কর্পোরেশন আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী বা স্থিতিশীল অবস্থানে যাবে। এতে আমাদের ঋণের পরিমাণও কমে আসবে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাথায় ৫৯৬ কোটি টাকার বিশাল ঋণ ছিল জানিয়ে বলেন, বিগত দুই বছরে সেই ঋণ পরিশোধ করে প্রায় শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হয়েছে। সবমিলিয়ে সিটি কর্পোরেশনকে ফিন্যান্সিয়ালি স্টেবল করার জায়গায় যাচ্ছি। কারণ একটা প্রতিষ্ঠান যদি ফিন্যান্সিয়ালি স্টেবল না হয়, তারা জনগণের জন্য কি করবে? তাই রেভিনিউটা ভেরি ইম্পর্টেন্ট। তো সে দিক দিয়ে বলতে পারেন, আল্লাহর রহমতে একটা ভালো জায়গায় আছি।

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন : স্বাস্থ্যখাতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, প্রায় ১০ লক্ষ শিশুকে টাইফয়েড ভ্যাকসিন এবং ৬ লক্ষ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, যার সাফল্যের হার প্রায় ৯৭ থেকে ৯৮ শতাংশ। এছাড়া স্কুলগামী ১ লক্ষ শিক্ষার্থীকে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধী এইচপিভি ভ্যাকসিন এবং ১২ হাজার কুকুরকে রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্কুলকে হেলথ কার্ডের আওতায় এনে বিনামূল্যে চক্ষু ও হার্ট ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত বলেন, নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা বাড়াতে মেমন মাতৃসদন হাসপাতালে আধুনিক মেডিকেল সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছি। এখানে এনআইসিইউ চালু করা হবে। ৫০ শয্যার চসিক জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্ট সেল চালুর মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের আন্তরিকভাবে সেবা প্রদান করছি। এছাড়া ডায়ালাইসিস সেন্টার, ট্রমা সেন্টার, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, আইসিইউ সেন্টার চালু করা হবে। হোমিওপ্যথিক মেডিকেল কলেজে বিএইচএমএস কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

তিনি জানান, ৪৮ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬টি কিন্ডারগার্টেন ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যকার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। কার্যμম পরিচালনার সুবিধার্থে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয়ে হেলথ টিম গঠন ও হেলথ ক্লিনিক খোলা হয়েছে। স্কুল হেলথ সংμান্ত কারিগরি পর্যালোচনার জন্য কর্পোরেশন কর্তৃক স্কুল হেলথ সেন্ট্রাল ক্লিনিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে এবং বিশেষ স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে।

ডিজিটালাইজেশন ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ : ডা. শাহাদাত জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে এবং নাগরিক সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ৬টি জোনকে বাড়িয়ে ৮টি জোন করা হয়েছে। স্বচ্ছ নিয়োগের জন্য নিজস্ব জব পোর্টাল চালু করা হয়েছে। নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং নগরবাসীর অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ নামে একটি সমন্বিত মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। যেখানে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৫৩৮টি অভিযোগ ও পরামর্শ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৯৬৮টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ হিসাবে প্রাপ্ত অভিযোগের প্রায় ৬১ শতাংশ নিষ্পত্তি হয়েছে। বাকি অভিযোগগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগের কার্যμমের আওতায় রয়েছে।

অন্যান্য উন্নয়ন ও পরিকল্পনা : সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রবীণদের জন্য ডে কেয়ার সেন্টার ও ওল্ড এজ হোম (জেরিয়াট্রিক কেয়ার সেন্টার) করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রশাসক। এছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সাগরিকা ও দেওয়ানহাটসহ ২২টি পয়েন্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ট্রাফিক সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া বলে জানান তিনি।

শহরের ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ডা. শাহাদাত বলেন, ইতোমধ্যে ১১টি খেলার মাঠের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং আগামী ৭ নভেম্বর বিকাল ৩টায় জাম্বুরি মাঠ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। নগরকে সবুজায়নের লক্ষ্যে ১০ লক্ষ গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে গত এক বছরেই ২ লক্ষ গাছ লাগানো হয়েছে এবং বাকি ৮ লক্ষ গাছ আগামী এক বছরের মধ্যে রোপণ করা হবে। পতেঙ্গা থেকে মোহরা পর্যন্ত মিড আইল্যান্ডে বিভিন্ন ধরনের ফল ও ফুলের গাছ লাগানোর কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব ‘ক্লিন সিটি’ গড়ার লক্ষ্যে ইউকে ও জাপানের দুটি কোম্পানির সাথে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। কর্ণফুলীর ওই পারে সোলার এনার্জিভিত্তিক একটি আধুনিক কনভেনশন ও ট্যুরিজম সিটি গড়ে তোলার কাজ চলছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমধ্যবর্তী নির্বাচনে ধরাশায়ী ট্রাম্প