ডেঙ্গু এখন আর শুধু মশাবাহিত রোগ নয়, এটি আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। শিশু থেকে বৃদ্ধ অনেকেই আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, কেউ কেউ মারাও যাচ্ছেন। চট্টগ্রামের সামপ্রতিক পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৭৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।
তবে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর পেছনে শুধু একটি কারণকে দায়ী করা যায় না; সময়মতো চিকিৎসা, রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্যালাইন সেট, সিরিঞ্জ ও রক্ত সঞ্চালনের সরঞ্জামের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। নকল, নিম্নমানের বা পুনরায় প্যাকেট করা সরঞ্জাম বাজারে থাকার অভিযোগ থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা জরুরি। এসব পণ্যের মান, জীবাণুমুক্ততা ও নিরাপত্তা যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ এবং নিরাপদ চিকিৎসাসামগ্রী নিশ্চিত করা সবই সমান গুরুত্বপূর্ণ। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা হোক।
নুসরাত জাহান মুক্তা
নন্দনকানন, চট্টগ্রাম।












