সবুজের নান্দনিকতা প্রকৃতির ছোঁয়ার এক স্বর্গীয় আবহ। প্রকৃতি তার নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে সবুজের মাঝে বিলিয়ে দেয়। সবুজের সমারোহে দাঁড়ালে দু‘চোখ জুড়িয়ে যায় প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। সবুজের বিনাশে প্রকৃতি বিমূর্ত রূপ ধারণ করে।
সবুজের সংরক্ষণে প্রকৃতি তার অপরূপ ছায়া মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে প্রশান্তি আনে।
সবুজ বৃক্ষ বা গাছপালা বায়ুর ক্ষতিকর ধূলিকণা বিষাক্ত গ্যাস শোষণ করে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে, বৈশ্বিক উষ্ণতা কমায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় ঢাল হিসেবে কাজ করে।
অক্সিজেন সরবরাহ : গাছ সবুজে ঢাকা আচ্ছাদন।
সবুজ উদ্ভিদ সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাতাস থেকে ক্ষতিকর কার্বন–ডাই–অক্সাইড গ্যাস গ্রহণ করে এবং বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন ত্যাগ করে।
জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ : সবুজ গাছপালা মেঘ আকর্ষণ করে বৃষ্টিপাত ঘটায়, মাটির ক্ষয় রোধ করে ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতা : সবুজের ছোঁয়া মানুষের মানসিক চাপ কমায়,মনকে প্রশান্ত করে ও ফুসফুসকে সতেজ রাখে। বর্তমান যুগে নগরায়ন ও শিল্পায়নের জন্য গাছপালা নিধন করা হচ্ছে ফলে প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারাচ্ছে।দেখা দিচ্ছে খরা, বন্যা ও তাপদাহের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয়। একটি গাছ কাটলে দুটি গাছ লাগান এই প্রতিপাদ্যকে কঠোরভাবে অনুধাবন করতে হবে। সুন্দরবন সহ সকল প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে এবং বন্যপ্রাণীদের অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে হবে। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব সবুজ পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে এবং মানুষকে প্রকৃতিপ্রেমী করে তোলার প্রয়াসে কাজ করতে হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে সবুজ শ্যামল নৈসর্গিক পৃথিবী বিনির্মাণে কাজ করি এবং ঐক্যবদ্ধ হই। সবুজে বাঁচি এবং সবুজকে বাঁচাই।












