সামপ্রতিক সময়ে শহরের ফুটপাতে অসংখ্য খাবারের দোকান দেখা যায়। বিশেষ করে সন্ধ্যায় সড়কের ওপর ফ্লাই ওভার ওঠানামার স্থানে মার্কেটের আশেপাশে ভ্যানে ভ্যানে অসংখ্য ফাস্ট ফুডের দোকান বসে যায়। এসব দোকানের প্রধান ভোক্তা কিশোর তরুণ যুবকরা। নামকরা ব্রান্ডের দোকানের চাইতে ফুটপাতের দোকানে খাদ্যের দাম অনেক কম হওয়ায় তাদের ক্রেতা বেশি। ভোক্তার নজর কাড়ার জন্য ভ্যান গাড়িতে খাবার সাধারণত উন্মুক্ত অবস্থায় রাখা হয়। ফলে মাছি বসে, বাতাসে ধুলাবালি যানবাহনের ধোঁয়া সহজেই খাবারের ওপর পড়তে থাকে। তদুপরি এ খাবারগুলো মান সম্মত ভাবে তৈরি করা হয় না, জীবাণু যুক্ত পানি দিয়ে নিম্ন মানের উপাদান এবং মুখরোচক করার জন্য ক্যামিকেল, কাপড়ের রঙ ব্যবহার করে আকর্ষণীয় করা হয়। সহজলভ্য এসব খেয়ে পেটের পীড়াসহ কিছুদিন পরে কিডনি লিভারের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। এ সমস্যা হতে রেহাই পেতে ফুটপাতের দোকানিদের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান এবং সচেতন করতে হবে। নিরাপদ খাবার তৈরিতে বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার উপকরণ ভেজাল মুক্ত রাখতে নিজ নিজভাবে সততা পালন করতে হবে। লাভের প্রত্যাশায় জনগণকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া কারো কাম্য হতে পারে না। উৎপাদনকারী যদি মনে করেন আমি আমার খাদ্য না খেয়ে জনগণকে খাইয়ে মুনাফা অর্জন করবো তাহলে সেই ফাঁদে একদিন নিজেকেও পড়তে হবে। তরুণ যুবক সমাজের মাঝেও সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি, তাদের নিজেদের স্বাস্থ্য ও খাবারের স্থান নির্বাচনের ব্যাপারে নিজেকেই সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের উচিত ফুটপাতের খাদ্য স্বাস্থ্যসম্মত কিনা যাচাই করা এবং যেন তেনো ভাবে খাবার বিক্রি করতে না পারে তার তদারকি করা।
সুকান্ত দেবনাথ
নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম।











