ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম। তিনি বলেছেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণ সচেতন হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগের বিস্তার রোধে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। মশার লার্ভার উৎস ধ্বংসের পাশাপাশি মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা ও কারিগরি সক্ষমতা জোরদার করা হচ্ছে।
তবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পরও নানা স্থানে মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি গতকাল মঙ্গলবার কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ডেঙ্গু পরীক্ষার কীট ও মশক নিধন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে ৫০০টি ডেঙ্গু এনএস ওয়ান পরীক্ষার কিট, ২০ প্যাকেট লার্ভিসাইড ওষুধ (মশার লার্ভা ধ্বংসকারী ওষুধ),একটি ফগার মেশিন, চারটি স্প্রে মেশিন এবং ১০ প্যাকেট ফগার মেশিনের ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। শামীম বলেন, বাড়ির ভেতর, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি–বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে। কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.রিদুয়ানুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার ইখতেখার উদ্দীন আরফাত, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আমিরুল মোস্তফা নয়ন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, হাজী মো. ওসমান, কামরুদ্দিন সবুজ ও আকরাম হোসেন রানা প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।











