রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার একটি হত্যা মামলায় মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল ওরফে মহিবুল্লাহ (২৩) নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাহিবুর কামাল কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ইউনিয়নের নতুনবাজার জাকির হোসেন স’মিল এলাকার মো. মনির উদ্দিনের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা নেত্রকোনার মদন উপজেলার কাইটাইল গ্রামে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১১ মার্চ নিখোঁজ হন হাছিনা বেগম সুমি (২৮)। পরদিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কাপ্তাই ইউনিয়নের বিএফআইডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত টয়লেটের ভেতর তার লাশ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় ২০২২ সালের ১৩ মার্চ কাপ্তাই থানায় কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন হাছিনা বেগমের মা আমেনা বেগম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমান তদন্ত শেষে এজাহারে নাম থাকা রুমি বেগম, বাবলু বড়ুয়া ও মোছা. হাজেরা বেগমকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেন। পরে মাহিবুর কামাল ওরফে মহিবুল্লাহর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলার দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত একমাত্র আসামি মাহিবুর কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির প্রসাদেব চাকমা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।











