ঘুমন্ত শাশুড়িকে ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে জখম করেছেন এক নববধূ। ফটিকছড়ির ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টুনার গাজির বাড়িতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় মারাত্মক জখম হওয়া শাশুড়ির নাম শাহেদা বেগম (৫৩)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুত্রবধূ আকলিমা আক্তারকে (১৯) পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে। আকলিমা রোসাংগিরি ইউনিয়নের মনুর বাপের বাড়ির মো. হারুনর রশিদের মেয়ে। মাত্রা আড়াই মাস আগে (গত ১৯ জুন) শাহেদা বেগমের ছেলে প্রবাসী মঈন উদ্দিন ফয়সালের সাথে আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয়।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকে আকলিমা তার শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে বসবাস করছিলেন। ঘটনার দিন রাতে খাবার শেষে তারা যথারীতি একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টার দিকে ঘুমন্ত শাহেদা বেগমের ওপর আকলিমা ধারালো ছুরি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালান এবং মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার্থে শাশুড়ি পুত্রবধূর হাতে কামড় দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে।
আহত শাহেদা বেগমকে প্রথমে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় আহত শাহেদা বেগমের মেয়ে ফারজানা আকতার পপি বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আলম খান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। মামলার তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’












