চট্টগ্রাম কাস্টমসে নিলামকৃত পণ্যের বিক্রির আদেশ জারির পরে অনেকে পণ্য খালাস করছে না। ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেনার জটও নিরসন হচ্ছে না। বিক্রয় আদেশ জারি হওয়া নিলামের পণ্য খালাস নেয়ার জন্য গতকাল গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিক্রয় আদেশ জারিকৃত, অথচ এখন পর্যন্ত পণ্য খালাস নেয়নি এমন পণ্যচালানের সংশ্লিষ্ট সকল বিডারকে (নিলামে অংশগ্রহণকারী) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রযোজ্য দরমূল্য, উৎসে আয়কর, উৎসে মূসক ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য আইনগত ও আর্থিক দায় পরিশোধ সাপেক্ষে পণ্যচালান খালাস গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। এছাড়া সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, শিপিং লাইন/এজেন্ট, হেফাজতকারী কিংবা অন্য কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের উক্ত পণ্যচালানের বিপরীতে কোনো বৈধ দাবি, স্বত্ব বা আপত্তি থাকলে অথবা কোনো আদালত/ট্রাইব্যুনালের রায়, আদেশ বা নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকলে, প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও সত্যায়িত প্রমাণকসহ এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রাম–এর নিলাম বিভাগে লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিডার কর্তৃক পণ্যচালান খালাস গ্রহণ করা না হলে এবং কোনো পক্ষ কর্তৃক বৈধ দাবি, স্বত্ব, আপত্তি বা আইনগত বাধা যথাযথভাবে উপস্থাপিত না হলে প্রচলিত আইন, বিধি–বিধান ও স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী উক্ত পণ্যচালানের বিষয়ে পুনঃনিলাম, ধ্বংস বা অন্যবিধ আইনানুগ নিষ্পত্তির কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য খালাসে ব্যর্থ বিডারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, বিধি–বিধান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী বিক্রয় অনুমোদন বাতিল, দাখিলকৃত জামানত/পে–অর্ডার রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যচালান পুনঃনিলামসহ আইনানুগ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
চট্টগ্রাম কাস্টমস নিলামের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, পণ্যজট নিরসন, বন্দরের ধারণক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার, সরকারি রাজস্ব সংরক্ষণ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ এবং বাণিজ্য সহজীকরণের বৃহত্তর স্বার্থে দীর্ঘদিন অবস্থানরত নিলামকৃত ও নিলামযোগ্য পণ্যচালানসমূহের খালাস ও আইনানুগ নিষ্পত্তির কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।












