কঠিন প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়াকে সামনে রেখে আজ বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল নামছে এশিয়ান গেমসে। গ্রুপের চার দলের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। উত্তর কোরিয়া এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবল ইভেন্টের তিনবারের সেরা। দক্ষিণ কোরিয়ার আছে তিনটি ব্রোঞ্জ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে মিয়ানমারও এগিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে। পিটার জেমস বাটলার তাই বাস্তবে থাকার পক্ষে। এই ইংলিশ কোচের চাওয়া বড় মঞ্চে উপভোগের মন্ত্রে খেলতে নামবে তার দল, মেলে ধরবে নিজেদের সেরাটা। জাপানের আইচি–নাগোয়াতে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এশিয়ান গেমসের মূল আসর। তবে ফুটবল, ক্রিকেটসহ কিছু ইভেন্টের খেলা শুরু হবে আগেভাগে। বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার বেলা একটায় উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নারী ফুটবলের গ্রুপ পর্ব শুরু করবে বাটলারের দল। গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ তুলে ধরেন তাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘বাস্তবধর্মী লক্ষ্য নিয়ে এখানে এসেছি আমরা। আমরা ভালো করেই জানি, এমন একটি গ্রুপে খেলছি যেখানে এশিয়ান ফুটবলের শক্তিশালী দলগুলোর দুটি–উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া আছে। এমনকি র্যাঙ্কিংয়ে মিয়ানমারও আমাদের চেয়ে এগিয়ে। পরিস্থিতি কতটা কঠিন হতে যাচ্ছে আমাদের জন্য, তা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র সংশয় নেই। তবে এই কঠিন চ্যালেঞ্জের মাঝেও আমরা খেলাটি উপভোগ করতে চাই। আশা করি মেয়েরা তাদের সেরাটা দিয়েই খেলবে’। ‘দলে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ খেলোয়াড় রয়েছে। ম্যাচের ফলাফল যা–ই হোক না কেন, আমি বেশ কিছু তরুণ মেয়েকে সুযোগ দেব। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো এই বড় মঞ্চের সুযোগগুলো থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করা, শেখা এবং নিজেদের ফুটবলের উন্নয়ন করা।’ গত মার্চে এশিয়ান কাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৫–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবারও যাত্রা শুরুতে তাদের মুখোমুখিই হচ্ছে দল। বাটলারের চাওয়া গেলবারের চেয়ে এবার উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে আরও ভালো খেলবে দল। মূল লক্ষ্য যে মিয়ানমার ম্যাচ, সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ‘গত এশিয়ান কাপে আমরা তাদের কাছে ৫–০ গোলে হেরেছিলাম। সেবার আমরা মোটেও ভালো খেলতে পারিনি, তবে সেই হার আমাদের তরুণ মেয়েদের জন্য বড় একটি শেখার অভিজ্ঞতা ছিল। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে। আমাদের দেশে তো মেয়েদের নিয়মিত কোনো লিগই নেই! তাই এই ম্যাচ নিয়ে আমাদের বড় কোনো ফলাফলের প্রত্যাশা না করে বাস্তববাদী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’ ‘আমরা ইতিবাচক ও ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিতে চাই। দেখা যাক, এই ম্যাচের অভিজ্ঞতা শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে আমাদের কতটা কাজে দেয়।’












