ভ্যাটের আওতায় বাড়ানো এবং কড়া নজরদারির কারণে চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটে রাজস্ব আদায় বেড়েছে ১ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকার বেশি। প্রবৃদ্ধি হিসেবে ১০ দশমিক ৮১ শতাংশ। ২০২৫–২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৮ হাজার ৪৩৫ কোটি ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আগের ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১৬ হাজার ৬৩৭ কোটি ৮৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, ভ্যাটের আওতায় না আসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং ভ্যাট ফাঁকি ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানোর ফলে আদায়ের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। বিশেষ করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বা রিস্ক প্রোফাইলিংয়ের মাধ্যমে উচ্চ ঝুঁকির প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করে তাদের লেনদেন ও ভ্যাট রিটার্ন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনায় রাজস্ব আদায়ের ভিত্তিও বড় হয়েছে।
কাস্টমস, এঙাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট চট্টগ্রামের কমিশনার শেখ আবু ফয়সাল মোহাম্মদ মুরাদ জানান, ভ্যাট আদায়ে নতুন নিবন্ধন বৃদ্ধি ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নজরদারি বাড়ানোর কারণে রাজস্ব আদায় বেড়েছে।











