প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের মাধ্যমে ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬২ টাকা আত্মসাতের দায়ে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ২ জনকে ৪ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাদেরকে আত্মসাৎকৃত টাকার সমপরিমাণ অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন– চট্টগ্রাম কাস্টমস এর রাজস্ব কর্মকর্তা (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) প্রাণবন্ধু বিকাশ পাল প্রকাশ পি বি পাল ও বন্দর এলাকার কিংশিপ শিপিং এজেন্সীর স্বত্বাধিকারী মির্জা মো. আহসানুজ্জামান। রায়ে এ মামলার অপর আসামি সাইফুল ইসলামকে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দিয়েছেন বিচারক। দুদক পিপি মুহম্মদ কবির হোসাইন দৈনিক আজাদীকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পারস্পরিক যোগসাজসসহ ক্ষমতার অপব্যহার করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া কাগজপত্র দাখিল করে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানিকৃত পণ্য খালাসের মাধ্যমে আসামিরা ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬২ টাকা কাস্টমস ডিউটি ফাঁকি দিয়ে আত্মসাৎ করে অপরাধ করেছেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক চার্জশিট দাখিল হলে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। তিনি বলেন, রায়ে সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা পি বি পালকে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় ৩ বছর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে আত্মসাৎকৃত টাকার ৫০ শতাংশ তথা ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩২ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আর ব্যবসায়ী আহসানুজ্জামানকে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৪, ৪৬৭ ও ৪৬৮ ধারায় ১ বছর করে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে আত্মসাৎকৃত টাকার ৫০ শতাংশ তথা ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩২ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।











