হেফাজতে ইসলামসহ কয়েকটি ইসলামী সংগঠনের আপত্তিকে সরকারের ওপর চাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এসব আপত্তিকে গঠনমূলক পরামর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। সরকারের ওপর এ ধরনের গঠনমূলক চাপ থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
গতকাল শনিবার দুপুরে ফটিকছড়ির আল–জামেয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি বিষয়টিকে কোনো দূরত্ব হিসেবে দেখছেন না। বরং যোগাযোগ যত বাড়বে, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধানও তত কমে আসবে। তিনি বলেন, ‘এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতো দায়িত্বে আমি ছিলাম না। তাই দেশের ওলামা, পীর–মাশায়েখদের সঙ্গে কথা বলা, তাঁদের পরামর্শ নেওয়া এবং তাঁদের চিন্তাভাবনার প্রতিফলন ঘটানোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন বিষয়ে যে পরামর্শ, চাপ কিংবা জন–আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন সরকারের কাছে আসে, সেগুলোকে চাপ হিসেবে না দেখে গঠনমূলক পরামর্শ হিসেবে দেখা হয়। সরকারের ওপর এ ধরনের গঠনমূলক চাপ থাকা প্রয়োজন, যাতে ভুলত্রুটি এড়ানো সম্ভব হয়। এদিকে হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর ছেলে মুফতি আইয়ুব বাবুনগরী বলেন, শনিবার দুপুরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মাদ্রাসায় এসে তাঁর বাবার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর দোয়া নেন। তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ওলামা–মাশায়েখদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে চান। তিনি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নন, বরং সবার ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। সবার সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।











