যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগে কোনো ফল হবে না বলে বুধবার দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এর আগে ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনীতি ধ্বংসের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। খবর বাসসের।
যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পরও দুই পক্ষ অচলাবস্থায় রয়েছে। ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি খবর জানিয়েছে। যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে দেশে রাজনৈতিক চাপের মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে অর্থনৈতিক চাপের দিকে ঝুঁকেছেন। তিনি নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর পাশাপাশি এতে যোগ না দেওয়া দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সতর্কতা দিয়েছেন। তবে কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা সামলে আসা ইরান এখনো অনড় রয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, এই চাপ মোকাবিলায় তাদের দুই বছরের পরিকল্পনা রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বুধবার বলেন, এই পর্যায়ে অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে আমেরিকা কোনো কিছু অর্জন করতে পারবে না। যুদ্ধেও তারা কিছু অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যেভাবে করেছি, সেভাবেই অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ় থাকব এবং তা অব্যাহত রাখব। এদিকে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বুধবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, যুদ্ধের সময় দুর্বল হয়ে পড়া সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। ক্ষতিগ্রস্ত সব অস্ত্রব্যবস্থার পুনর্নির্মাণ এবং বিদেশ থেকে নতুন সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করেছে, দেশটির প্রায় ১০০ শতাংশ সামরিক কারখানা ধ্বংস করেছে এবং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কবর দিয়েছে। বসেন্ট বলেন, নতুন অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ঘোষণা করে বর্ধিত মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন খাতকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।












