নগরীর হালিশহর ও আগ্রাবাদ এলাকার ব্যতিক্রমী, অবৈধভাবে নির্মাণাধীন এবং নির্মিত ভবনসমূহে গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সিডিএ। এই সময়
মোট ১৩টি ভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরমধ্যে ৫টি ভবন সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। এই সময় ভবন মালিকদের কাছ থেকে ৪১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. বেলায়েত হোসেনের উপস্থিতি অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিডিএ’র স্পেশাল মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীন। অভিযানকালে সিডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ইমারত নির্মাণ কমিটি–২ এর চেয়ারম্যান মোহাং মনজুর হাসান, অথরাইজড অফিসার–২ তানজিব হোসেন, সহকারী অথরাইজড অফিসার মোঃ ইলিয়াছ আকতার, মোঃ হামিদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্থ সুপার শপ স্বপ্নকে পার্কিংয়ের জায়গায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করায় ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সেফস লাউঞ্জ নামীয় রেস্টুরেন্টটি কোনো ধরনে পার্কিংয়ের সংস্থান না রেখে ব্যবসা পরিচালনা করায় সিলগালা করা হয়।
অভিযানকালে তিনটি ভবনের ব্যতিক্রমী অংশ ভেঙে দেওয়া হয়, ৫টি ভবনকে সিলগালা করা হয় এবং ভবন মালিক হতে মুচলেকা গ্রহণ করা হয়। আগ্রাবাদ ও হালিশহর এলাকায় সিডিএ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় করে ভবন নির্মাণ করায় ভবন মালিকগণ হতে ৪১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, সিডিএ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে প্রতীয়মান হয় যে বড় বড় সুপারশপ করা হলেও কোনো পার্কিং রাখা হয়নি। আমি নগরবাসীর কাছে প্রত্যাশা করব, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ডিজাইন অনুযায়ী ভবনের নির্মাণ কাজ করবেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল করার সময় যানজট সৃষ্টি হয়, জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি হয় এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
উক্ত অভিযানে ইমারত পরিদর্শক মো. তোফায়েল হোসেন, বিমান বড়ুয়া, আবু জাফর ইকবাল, জোবাইর ইবনে আনোয়ার, মো. সাইদুর রহমান, সাইফ আলম সীমান্ত, সজীব দাশ, মিথু কুমার চৌধুরী, হারাধন দাশ প্রমুখ অংশ নেন।







