দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই বর্তমান বিএনপি সরকার তাদের অধিকাংশ নির্বাচনী অঙ্গীকার ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে বলে দাবি করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনী লক্ষ্যমাত্রার কোথাও ১০০ শতাংশ, আবার কোথাও ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই সরকারের এই ছয় মাসের অর্জনের বিস্তারিত পরিসংখ্যান দেশবাসীর সামনে প্রকাশ করা হবে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। খবর বাংলানিউজের।
রিজভী বলেন, প্রথম ছয় মাসের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, সে অনুযায়ী মোটামুটি সবগুলোই পূরণ হয়েছে। কোথাও হয়তো ১০০ শতাংশ না হলেও ৯৫ বা ৯০ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ১০০ ভাগই অর্জিত হয়েছে। কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে আগামী ছয় মাসে সরকারের কর্মসূচি আরও জোরালো ও দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন হবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। এদিকে দলের মহাসচিবের রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়া এবং পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, আইনগতভাবে শপথ নেওয়ার আগে দলীয় পদ বা সরকারের অন্য কোনো পদ থেকে পদত্যাগ করার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সম্পূর্ণ নৈতিক কারণ বিবেচনা করেই দলের মহাসচিব পদ থেকে তার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন এই শীর্ষ নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ–দপ্তর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) ও প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) তারিকুল আলম তেনজিং, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ–সভাপতি ইয়াসিন আলী এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ–সভাপতি ডা. তৌহিদ আউয়াল প্রমুখ।












