গত ২৮ জুলাই চুয়েটের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়।
সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে গত বুধবার একই পুকুরে পানিতে ডুবে আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের চমক দত্ত এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শান্ত দেব। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা এবং সেগুলোতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা কিংবা পানিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আজ ১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সকল পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের কোনো পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা বা পানিতে প্রবেশ করা যাবে না।
নির্দেশনা অমান্য করে কেউ পুকুরে প্রবেশ বা নামলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাপরিপন্থী আচরণ হিসেবে গণ্য হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া, বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।












