এক–এগারোর সেনাসমর্থিত সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল–জেআইসিতে নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম। গতকাল শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর–ডিজিএফআই কমপ্লেঙে থাকা জেআইসি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এক–এগারোর সময়ে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের অহংকার জনাব তারেক রহমানকে আজকের যে জেআইসি সেলটি আমরা পরিদর্শন করেছি, তারই কোনো একটি কামরায় তাকেও সেখানে আনা হয়েছিল এবং তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল। সাক্ষীদের বর্ণনা থেকে পাওয়া তথ্য পর্যায়ক্রমে বিচারে প্রতিফলিত হবে, বলেন তিনি। খবর বিডিনিউজের।
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের বাসা থেকে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় ১৩ মামলা। যৌথ বাহিনীর হেফাজতে তাকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তারেক রহমানকে ভর্তি করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে।
এক বছর পর, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালতের জামিনে মুক্তি পান তারেক। সেই রাতেই স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান তিনি। শুরু হয় নির্বাসিত জীবন। প্রায় দেড় যুগ পর গত বছর ডিসেম্বরে দেশে ফিরেন তারেক রহমান। ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি।












