অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান বলেছেন, শিশুদের পাশে থাকতে পারাটা অত্যন্ত সৌভাগ্যের। বলতে চাই, বাল্য বিয়েটা আমাদের সবার জন্য বড়ো অভিশাপ। ১৮ বছরের আগে বিয়ে করা যাবে না। বাল্য বিয়ে না করার ব্যাপারে সবাইকে সুন্দর উদ্যোগ নিতে হবে। শিশুরা আজ থেকে শপথ নিক নিজেরা বাল্য বিয়ে করবেনা এবং তাদের আশেপাাশে কাউকে বাল্য বিয়ে করতে দেবে না। তিনি গতকাল মঙ্গলবার যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (জেএসইউএস) ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে প্রায় দুশতাধিক শিশুকে নিয়ে শিশু একাডেমি চট্টগ্রামে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও জীবন দক্ষতা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত অভিমত তুলে ধরেন। ‘চাই না আর বাল্যবিয়ে, বাঁচতে চাই স্বপ্ন নিয়ে’ আর ‘আমরা চাই আলো, জীবনমুখী শিক্ষায়, আসবে দিন ভালো’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কর্ণফুলী ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনিস রোজারিও সভাপতিত্বে এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মফিজুল হক ভূইয়া, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আতিয়া চৌধুরী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজ আহাম্মদ, মোহাম্মদ কাউছার আহমেদ, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। জেএসইউএস ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা সাঈদুল আরেফীন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এপি স্পন্সরশীপও সিস্টেম অফিসার পায়েল খ্রিস্টিনা দাসের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভীন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এডিপি ম্যানেজার, কর্ণফুলী এডিপি জনি রোজারিও। উপস্থিত ছিলেন লুৎফুন্নেছা রূপসা, মো. আলী সিকদার, লিটন চৌধুরী, পিযুষ দাশ গুপ্ত, জিন্নাত আরা বেগম, ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা এবং স্মীতা দে। জেএসইউএসের পক্ষ থেকে ছিলেন সহকারী পরিচালক আরিফুর রহমান, রাজেশ রতন মল্লিক, মো. রুবেল, নাসরিন সুলতানা, শান্তা মল্লিক বীথি, রুম্পা দাশগুপ্ত, শাহীনুর আক্তার, রুমা চক্রবর্তী, দিপীকা চক্রবতী প্রমুখ।
দিনব্যাপী আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেএসইউএস পরিচালিত জয়ফুল লার্নিং সেন্টারের ১৫০ শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।












