আনোয়ারায় চীনা শিল্পাঞ্চল প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন সোমবার

অনুষ্ঠানে থাকবেন অর্থমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

| শনিবার , ২৫ জুলাই, ২০২৬ at ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আগামী সোমবার চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনসিইআইজেড) প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা এবং বাংলাদেশচীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে নেওয়া দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বাংলাদেশ সিইআইজেড কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিসিএল) চেয়ারম্যান স্বাগত বক্তব্য দেবেন। খবর বাসসের।

অনুষ্ঠানে সিইআইজেড প্রকল্পের ওপর একটি অডিওভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হবে। এছাড়াও অনুষ্ঠানে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) প্রেসিডেন্ট, চট্টগ্রাম১৩ (আনোয়ারাকর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে একটি সাবলিজ চুক্তি সই হবে। পরে সিইআইজেডের স্লোগান উন্মোচন, ওয়ানস্টপ সার্ভিসের উদ্বোধন, প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের সহায়ক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। বেজার বাস্তবায়নে এ প্রকল্পের আওতায় জেটি সংযোগ সড়ক, অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্ক, পানি সংরক্ষণাগার, গ্যাস সঞ্চালন সুবিধা, কেন্দ্রীয় বর্জ্য তরল শোধনাগার (সিইটিপি), বহুমুখী জেটি, কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ কেন্দ্র, সীমানা প্রাচীর এবং বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে অন্তত ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্ট হবে, এক লাখের বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং চট্টগ্রাম আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিকস হাবে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী কৌশলগত অবস্থানের কারণে সিইআইজেড বাংলাদেশের শিল্প প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশচীন অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে আরো ৩৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
পরবর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামে গ্যাসে এখনো সুখবর নেই