টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা বিশেষ করে বাঁশখালী, সাতকানিয়া জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দুর্যোগে প্রায় ৮ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত ও হাজারো পরিবার পানিবন্দি, অসংখ্য ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। বহু মানুষ নিরাপদ আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও জরুরি চিকিৎসাসেবার সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে শিশু, নারী, প্রবীণ এবং অসুস্থ মানুষ। বন্যার পানি একদিন নেমে যাবে, কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবনে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে সময় ও সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং দেশের সর্বস্তরের মানুষের এগিয়ে আসা জরুরি।
মানবিক সহায়তা শুধু খাদ্য বা অর্থের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, ওষুধ, শিশুদের খাদ্য, প্রয়োজনীয় পোশাক এবং পুনর্বাসন সহায়তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি ছোট সহায়তাও কোনো অসহায় পরিবারের জন্য নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস হয়ে উঠতে পারে।
মো. হেফাজ উদ্দিন
শিক্ষার্থী,
বাঁশখালী ডিগ্রি কলেজ











