এই বন্যায় একটা জিনিস খেয়াল করলাম আমাদের চট্টগ্রামের মানুষের একটা পিওর ইগো আছে। মরে যাবে তবুও বাহিরের কারো কাছে হাত পাততে চাচ্ছে না নিজের আশে পাশের মানুষগুলোকে প্রয়োজনের কথা বললেও বাইরের কাউকেই চক্ষু লজ্জায় কিচ্ছু বলতে চাচ্ছে না। প্রতিদিন বানভাসী হয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে চুপচাপ। এই মানুষগুলোকেই আমাদের ত্রাণ ও ওষুধ সাহায্য পৌঁছে দেওয়া খুবই জরুরি। এটা আমাদের চট্টলাবাসীর নৈতিক দায়িত্ব।
আমাদের সকলের পরিচিত বাজার ও সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার খাতুনগঞ্জ, রিয়াজ উদ্দিন বাজার, টেরিবাজার, চকবাজারে যারা বড় বড় কোটিপতি ব্যবসায়ী আছে তারা প্রায় সবাই সাতকানিয়া, কক্সবাজার, বাঁশখালি অঞ্চলের, তাদের পক্ষ থেকে কয়েকজন মিলে এক হয়ে যদি ত্রাণ ও অর্থ সাহায্য করে তাহলে মনে হয় আরো ১ সপ্তাহ বন্যা হলেও ওদের সাহায্যের অর্থ দিয়েই কষ্টের দিন পার করে নিতে পারবে।
তাছাড়া রিয়াজউদ্দিন বাজার , চকবাজার, টেরিবাজারে আপনারা যারা দোকানদার ব্যবসায়ী তাদের সকলের দোকানের প্রায় স্টাফ সাতকানিয়া, চকরিয়া ও বাশখালীর। এই সকল মাকেটের দোকানদারেরা আপনারা সকলে মিলে উদ্যোগ নিলে কিন্তু এই ত্রাণ সমস্যার একটা সমাধান হয়ে যাবে, নিজের ভাইয়ের পাশে এই দুঃসময়ে আপনারা না দাঁড়ালে কে দাঁড়াবে বলেন। আপনারা তো নিজেরাই একাই একশো। নিজের ভাই, স্টাফদের দুঃসময়ে আপনার মালিকপক্ষ না দাঁড়ালে কে দাঁড়াবে বলেন? আসুন আমরা সকলে এক হয়ে নিজের মানুষের পাশে দাঁড়াই, যারা আজ বন্যায় আক্রান্ত তারা আমাদেরই পরিবার আমাদেরই ভাইব্রাদার, আমাদেরই মা বোন। আমরা সকলেই মিলেই চট্টগ্রাম।












