পরিবারই একটি শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নেছার আহমেদ খান | শনিবার , ১৮ জুলাই, ২০২৬ at ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ

বাসে প্রতিদিন এমন একটি দৃশ্য দেখা যায়, যা সত্যিই কষ্ট দেয়। অনেক বয়স্ক মানুষ, অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী কিংবা ছোট শিশুকে কোলে নেওয়া মায়েরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। অথচ অনেক সুস্থসবল ছাত্র ও তরুণ তাদের সামনে বসে থেকেও আসন ছেড়ে দিতে চান না। শিক্ষিত হওয়ার অর্থ শুধু ভালো ফলাফল অর্জন নয়, প্রকৃত শিক্ষা মানুষের আচরণ, ভদ্রতা ও মানবিকতার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

এই ধরনের আচরণের পেছনে অনেক সময় পারিবারিক শিক্ষার অভাবও দায়ী। পরিবারই একটি শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ছোটবেলা থেকেই যদি সন্তানকে বড়দের সম্মান করা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করার শিক্ষা দেওয়া হয়, তবে সে বড় হয়ে অবশ্যই একজন দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হবে।

বাসে একজন বয়স্ক মানুষের জন্য নিজের আসন ছেড়ে দেওয়া কোনো দয়া নয়, বরং এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব ও সামাজিক কর্তব্য। একটি ছোট মানবিক কাজ একজন ক্লান্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে এবং অন্যদেরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করে। তাই আসুন, আমরা পারিবারিক শিক্ষার মূল্যবোধকে ধারণ করে বয়স্ক, অসুস্থ ও প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করি। কারণ একটি সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে ভালো মানুষ ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান
পরবর্তী নিবন্ধপরিবর্তন মানে জীবনের খেয়ানৌকার হালটা শক্ত করে ধরা