দুদিনের ধর্মঘট ডেকেছে প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসো

অগ্রিম আয়কর কমানোসহ ১১ দাবি

আজাদী প্রতিবেদন | বুধবার , ১৫ জুলাই, ২০২৬ at ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

অগ্রিম আয়কর কমানোসহ ১১ দাবিতে চট্টগ্রামে দুদিন ধর্মঘট ডেকেছে প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের পক্ষ থেকে গতকাল এক মানববন্ধনে দাবি আদায় না হলে আগামী ২১ ও ২২ জুলাই ৪৮ ঘণ্টার লগআউটের (বন্ধ) এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

গতকাল নগরীর সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় বন্দর সিসিটি২ নম্বর গেট সংলগ্ন সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি আবু সালেহ জুয়েলের সভাপতিত্বে এবং অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ খুরশেদ আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, কার্যনির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার, সহসভাপতি মোরশেদ হোসেন নিজামী, সহসম্পাদক মোহাম্মদ ইসমাইল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান রাজু, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান মুরাদ বাদশা, বন্দরবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুস আজাদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ মুকুল এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোতাহার হোসেন, মোহাম্মদ জামাল, মোহাম্মদ সেলিম ও আবু আহমেদ আলাউদ্দীন শিবলু।

মানববন্ধনে বক্তারা প্রাইম মুভার ট্রেইলার, ফ্ল্যাটবেড, লোবেড, সেমি লোবেড, ক্রেন ও অন্যান্য হেভি ইকুইপমেন্ট পরিবহনের ওপর অগ্রিম আয়কর ৩৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। তাদের দাবি, ২০২৪ সালে এ খাতে অগ্রিম আয়কর ছিল ১৯ হাজার টাকা। ধারাবাহিকভাবে কর বৃদ্ধি পরিবহন মালিকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

মানববন্ধন থেকে ১১ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিভিন্ন কর ও ফি একীভূত করে একটি ডকুমেন্টের আওতায় আনা, ভাড়ায় চালিত গাড়ির অগ্রিম আয়কর ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ, সারা দেশে একই নীতিমালায় লোড স্কেল পরিচালনা এবং লোড কন্ট্রোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধ, মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহন, চালক ও সহকারীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিদ্যমান শ্রম আইনের সাংঘর্ষিক ধারাগুলো সংশোধন, বিআরটিএর মাধ্যমে চালকদের পেশাদার লাইসেন্স প্রাপ্তি সহজ করা এবং প্রাইম মুভার ট্রেইলার ও ফ্ল্যাটবেড যানবাহনের ওজন ও মাইলেজের ভিত্তিতে সরকারিভাবে ভাড়া নির্ধারণ নীতিমালা প্রণয়ন।

আবু সালেহ জুয়েল আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বন্দরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানিরপ্তানি পণ্য পরিবহন, কন্টেনার ডেলিভারি এবং ভারী যন্ত্রপাতি স্থানান্তরের কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধচট্টগ্রামের মানুষকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে আমরা প্রস্তুত : স্বাস্থ্য পরিচালক
পরবর্তী নিবন্ধজলাবদ্ধতার কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক : মেয়র