এক সপ্তাহের বেশি টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদ ক্রমাগত ফুলছে। গতকাল সোমবার হ্রদের পানি ১০০ মিনস সি লেভেল (এমএসএল) ছাড়িয়েছে। এতে করে বাড়ানো হয়েছে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎকেন্দ্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে ২০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম (নিয়ন্ত্রণ কক্ষ) সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১, ৩, ৪ এবং ৫ নম্বর ইউনিটে ৪০ মেগাওয়াট করে ১৬০ মেগাওয়াট এবং ২ নম্বর ইউনিটে ৪৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। ৫টি ইউনিটের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট। কাপ্তাই হ্রদে পানি ধারণ সক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। তবে ১০৮ এমএসএল পানি হলেই বিপদসীমা ধরা হয়। বিপদসীমার কাছাকাছি এলেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট (স্লুইসগেট) খুলে পানি নিষ্কাশন করা হয় কর্ণফুলী নদীতে।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বলেন, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির পরিমাণ ছিল ১০০ দশমিক ৬০ এমএসএল। রোববার রাতে পানির লেভেল ছিল ৯৯ দশমিক ১৫ এমএসএল। বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে সোমবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ২০৬ মেগাওয়াট। যা চলতি বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন।











