মায়ের প্রেরণায় হলুদ কার্ড এড়ালেন বেলিংহ্যাম

| সোমবার , ১৩ জুলাই, ২০২৬ at ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ

ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে ওঠার চ্যালেঞ্জ তো ছিলই। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে একটি শঙ্কাও পুরোটা সময় সঙ্গী ছিল জুড বেলিংহ্যামের। হলুদ কার্ড আগেই পেয়েছিলেন তিনি, এই ম্যাচেও আরেকট পেলে ছিটকে পড়তে হতো সেমিফাইনাল থেকে। শেষ পর্যন্ত ১১০ মিনিট মাঠে থেকেও হলুদ কার্ড পেতে হয়নি তাকে। ম্যাচের পর ইংল্যান্ডের তারকা জানান, মায়ের কথা কাজে লেগেছে তার। নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডকে উদ্ধার করেছেন এই বেলিংহ্যামই। আগের ম্যাচেও পিছিয়ে পড়া দলকে সমতায় ফিরিয়েছেন, পরে অতিরিক্ত সময়ের গোলে দলকে জিতিয়েছিলেন। মিডফিল্ডার হয়েও এই নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে তার গোল হয়ে গেল ছয়টি। আগের ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে স্নায়ুক্ষয়ী লড়াইয়েও গোল করেছিলেন দুটি। ১৯৮৬ আসরে দিয়েগো মারাদোনার পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে জোড়া গোলের প্রথম কীর্তি এটি। হলুদ কার্ড পেলে অবশ্য দলের জয় আর নিজের জোড়া গোলের আনন্দ অনেকটাই উবে যেত তার। সেই শঙ্কাটা যথেষ্ট ছিল। এবারের বিশ্বকাপে গোটা মাঠ দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। রক্ষণ থেকে মাঝমাঠ আর আক্রমণ, তাকে দেখা যাচ্ছে সব জায়গায়।

প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নেওয়া, কঠিন ট্যাকল, প্রতিপক্ষের আক্রমণ ধ্বংস করার কাজও তিনি করে থাকে। হলুদ কার্ডের খড়গ তাই সবসময় ঝুলতেই থাকে তার ওপর। এই ম্যাচে সেটি এড়াতে পারায় তার আনন্দ বেড়ে যায় অনেকটা। ম্যাচের পর ২৩ বছর বয়সী তারকা বলেন, মাঠে তাকে সতর্ক থাকতে ক্রমাগত বুঝিয়ে গেছেন তার মা ডেনিস। ‘আমার মা এই কদিন ধরে আমাকে বলছিলেন যেন আমি আমার মুখের ভাষা, ট্যাকল, মুখের ভাব এবং আবেগের ব্যাপারে সতর্ক থাকি। পুরো সপ্তাহ তিনি আমাকে হলুদ কার্ড নিয়ে সতর্ক থাকার জন্য ভালোভাবে বুঝিয়েছেন।’ নরওয়ের বিপক্ষে এ দিন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল বেলিংহ্যামদের। জয়ের আনন্দটাও তাই বেশি রিয়াল মাদ্রিদ তারকার। ‘দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল এবং ভাগ্যক্রমে আমরা এটি পার করতে পেরেছি।’

পূর্ববর্তী নিবন্ধচিটাগাং ক্লাবে টিটি ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী
পরবর্তী নিবন্ধমহানগর ক্রীড়া সংস্থার শরীর গঠন কমিটি