বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর আর্লিং হালান্ড ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে হাসিমুখে বিদায় জানান বিশ্বকাপকে। বললেন, বিশ্বকাপ তাকে বদলে দিয়েছে। বিশ্বকাপের শুরু থেকে হালান্ডকে যে দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গেছে, কোয়ার্টার–ফাইনালের লড়াইয়ে তার সেই রূপ দেখা যায়নি। বলা ভালো, অন্য কোনো দল যা পারেনি সেটা করে দেখিয়েছে ইংল্যান্ড। এই তারকা স্ট্রাইকারকে কড়া মার্কিংয়ে রেখে নিস্ক্রিয় করে রাখে ইংলিশ ডিফেন্ডাররা। বিশ্বকাপে পথচলা শেষ হয়ে যাওয়ার হতাশা থাকলেও, ক্যারিয়ারের সামনের দিনগুলো নিয়ে ইতিবাচক কথা শোনান হালান্ড। বলেন, ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে তিনি শিখলেন অনেক কিছু। ‘বিশ্বকাপে যে অভিজ্ঞতা হলো, স্বপ্নের মতো। মনে হচ্ছে, এসব মানুষ হিসেবে আমাকে বদলে দিয়েছে। বলা যেতে পারে, ফুটবলার হিসেবে আমার পরিচিতি আরেকটু বড় হয়েছে। ম্যাচগুলোর দিকে ফিরে তাকালে এখনই অবশ্য সবকিছু অনুধাবন করাও কঠিন। কিন্তু, বিশ্বকাপের মতো আয়োজনের অংশ হতে পারা দারুণ কিছু। একসময় যা দূর থেকে দেখতাম, এখন আমি এর অংশ। আমি অনেক গর্ববোধ করছি। আমরা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করেছি, আমাদের নিয়ে নরওয়েতে সবার মধ্যে একতা, ইতিবাচকতা ও উচ্ছ্বাস–এখানে ও দেশে, এর সবকিছুই আমরা অনুভব করেছি এবং তাতে আরও আপ্লুত হয়েছি।’ ইংল্যান্ডের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এটা সত্য, এখানে আমার (ম্যানচেস্টার) সিটি সতীর্থদের পেয়েছি। ইংল্যান্ডে বড় হয়েছি এবং জীবনে আমার প্রথম জার্সি ছিল ইংল্যান্ডের। দেশটা আমার কাছে স্পেশাল। কিন্তু ফ্রান্স–স্পেনেও আমার সতীর্থরা আছে।’ দীর্ঘ ২৮ বছর পর, বিশ্বকাপে ফিরে বিস্ময় উপহার দিয়েছে নরওয়ে। ভয়ডরহীন পারফরম্যান্সে ফুটবল ভক্তদের মন জয় করেছে। তাদেরকে নিয়ে দেশটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের আমেজ ছিল অসাধারণ। এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আশার কথাও শোনান হালান্ড। এটা (বিশ্বকাপে খেলা) আমার দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিল। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে, বিশ্ব (ফুটবল) মানচিত্রে নরওয়েকে একটা জায়গায় তুলতে পেরেছি। এখন এই মান ধরে রাখতে হবে। আমি সত্যিই গর্বিত।












