বর্ষা মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ভয় হয় বজ্রপাত নিয়ে। এ সময় বৃষ্টিপাতের সাথে সাথে ঝড় হাওয়াসহ বজ্রপাত হতে দেখা যায়। তাই বর্ষা মৌসুমে অনেক কৃষকই বজ্রপাতের শিকার হয়। অতি বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হাওয়া হলে মাঠে যাওয়া যাবে না। আকাশ ঘন অন্ধকার করে থাকলে ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না কারণ এসময় বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মূলত আমাদের দেশে বেশিরভাগ বজ্রপাতে মৃত্যু ঘটে অসতর্কতার কারণে। বর্ষা মৌসুমে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করলে বজ্রপাতে মৃত্যু কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব। বর্ষা মৌসুমে যতদূর সম্ভব বৃষ্টি বাদল বেশি হলে ঘর থেকে বের না হওয়ার চেষ্টা করুন। নিতান্তই বের হতে হলে বজ্রপাত বিষয়ে সাবধানতাগুলো মেনে চলুন। বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় থাকলে দ্রুত হাঁটু গেড়ে বসে পড়ুন এবং হামাগুড়ি দিয়ে নিরাপদ ছাউনিতে আশ্রয় নিন। বজ্রপাতের সময় গাছ কিংবা বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে দাঁড়িয়ে থাকবেন না। বজ্রপাতের সময় গাড়িতে থাকলে দরজা জানালা বন্ধ করে দিন যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে নেমে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। বজ্রপাতের সময় ধাতব হাতল ওয়ালা ছাতা এড়িয়ে চলুন। প্লাসটিক কিংবা কাঠের হাতল ওয়ালা ছাতা ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। বজ্রপাতের সময় দূরের যাত্রা সংক্ষিপ্ত করার চেষ্টা করুন। বজ্রপাতের সময় নদীপথ এড়িয়ে চলুন। নদী পথে থাকলে নৌযানের ছাউনির ভেতর থাকুন।
বজ্রপাতের সময় সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ফ্যান ইত্যাদি দ্রুত বন্ধ করার চেষ্টা করুন। বিল্ডিংয়ে বজ্রপাত নিরোধক টাওয়ার বসানো আছে কী না তা পরীক্ষা করুন। প্রকৃতপক্ষে একটু সতর্কতা এবং এবং বজ্রপাত বিষয়ে কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারলে বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতে মৃত্যু থেকে অনেকেই বেঁচে যাবে।












