চকরিয়ায় মায়ের সামনেই বাড়ির উঠোন থেকে বানের পানিয়ে তলিয়ে গিয়ে মারা গেলো ছেলে। গতকাল রোববার বরইতলী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাস পাড়ায় বানের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ থাকা ১২ বছরের শিশু সজিবের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিখোঁজের ২৩ ঘণ্টা পর গতকাল রবিবার বিকেল তিনটার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়। চকরিয়া সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন দৈনিক আজাদীকে বলেন, ‘শিশু সজিব জলদাস নিখোঁজ থাকার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অকুস্থলে যান। কিন্তু ছড়াখালে বানের পানির স্রোত তীব্র থাকায় ফেরত আসেন। তবে চট্টগ্রাম থেকে আসা ডুবুরি দল রবিবার দুপুর থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে ২৩ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।’
এদিকে গতকাল বিকেলে বাড়ির উঠানে মায়ের সামনেই বানের স্রোতের পানিতে তলিয়ে গিয়ে মারা যান মোহাম্মদ আতাউল্লাহ (২০) নামের এক তরুণ। তিনি বরইতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিবাজারস্থ পূর্ব ছড়াকূলের ফতেহ আলী সিকদার পাড়ার নেসার আহমদের পুত্র। বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ছালেকুজ্জামান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার বিকেল তিনটার দিকে চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাস পাড়ায় বাড়ির সামনে বানের পানির স্রোতে ভেসে যায় তিন শিশু। তন্মধ্যে দুই শিশু জীবিত ফিরতে পারলেও তখন থেকেই নিখোঁজ ছিল কুতুবদিয়া উপজেলার কুমিরা ছড়া জলদাস পাড়ার তুফান জলদাসের ১২ বছরের শিশুপুত্র সজিব জলদাস। সে ছোটকাল থেকেই মামার বাড়ি চকরিয়ার কৈয়ারবিল জলদাস পাড়ায় বড় হচ্ছিল।
চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গত একসপ্তাহের ব্যবধানে একে একে সাতজন শিশু ও একজন যুবকসহ আটজন পাহাড় ধস, পানিতে ডুবে ও তলিয়ে গিয়ে মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দৈনিক আজাদীকে।












