প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ‘দি কিউএস র্যাংকিংস অ্যান্ড বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন : ইন্টিগ্রেটিং সাসটেইনেবিলিটি অ্যাজ আ টাইমলি নিড’ শীর্ষক একটি সেমিনার গত সোমবার বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার এবং রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইফতেখার মনির।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি–প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত পরিচালক (কিউএ) তানজিনা আলম চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর সাদাত জামান খান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী ও আইকিউএসি–প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) গাজী শাহাদাৎ হোসেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক বিভাগের চেয়ারম্যান, কো–অর্ডিনেটর এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক এস এম নছরুল কদির বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান, গুণগত শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। কিউএস র্যাংকিংস এবং বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন–এর মানদণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু তার অবস্থানই সুদৃঢ় করে না বরং শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও উৎকর্ষ অর্জন করে। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজিস) বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের সেমিনার শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।
রিসোর্স পারসন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলী তার উপস্থাপনায় কিউএস র্যাংকিংস এবং বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন–এর বিভিন্ন সূচক, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সাসটেইনেবিলিটি–এর গুরুত্ব, গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, ইন্ডাস্ট্রি–একাডেমিয়া সংযোগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, সাসটেইনেবিলিটি এখন আর কেবল একটি ধারণা নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন ও সামাজিক সম্পৃক্ততার অবিচ্ছেদ্য অংশ। আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে অগ্রগতি অর্জন এবং সফল অ্যাক্রেডিটেশন লাভের জন্য তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা, মানসম্মত গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং ধারাবাহিক মানোন্নয়ন সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টাই একটি প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করতে পারে।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা কিউএস র্যাংকিংস ও বিএসি অ্যাক্রেডিটেশন–এর বিভিন্ন মানদণ্ড, টেকসই উন্নয়ন কৌশল এবং প্রাতিষ্ঠানিক গুণগত মানোন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর দেন রিসোর্স পারসন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।










